দিল্লিতে আফগানিস্তানের ১৫৯ রান তাড়া করতে নেমে ১৪.৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান করে জেতে ভারত। স্যামসনের সঙ্গে অভিষেক শর্মা ওপেনিংয়ে ৬.২ ওভারে যোগ করেন ৮৮ রান। অভিষেক করেন ১৯ বলে ৩৯। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত।
স্যামসনের জায়গা নিয়ে আলোচনা তৈরি হওয়ার পেছনে সূর্যবংশীর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও বড় কারণ। জিম্বাবুয়ে সফরে ১৫১ রান করে সিরিজসেরা হয়েছিলেন তরুণ এই ব্যাটার। এর আগে ইংল্যান্ড সফরেও স্যামসনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ফলে আফগানিস্তান সিরিজে দুই ওপেনারের মধ্যে কে নিয়মিত সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল।
এই প্রসঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্যামসন বলেন, 'আমি নেতিবাচক হয়ে বসে থাকতে পারি না। আমাদের দলে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। দলের কী প্রয়োজন, সেটার দিকে মনোযোগ দিতে হয়। নিজের প্রতি বিশ্বাস রেখে সুযোগ পেলে দলের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করি।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে অবশ্য স্যামসনের সময়টা ভালো যাচ্ছিল না। সর্বশেষ পাঁচ ইনিংসে তার রান ছিল ৫, ০, ১, ২৭ ও ১০। তবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলেন তিনি। পাঁচ ইনিংসে ৩২১ রান করা স্যামসন শেষ তিন ম্যাচে করেছিলেন ৯৭*, ৮৯ ও ৮৯। সেই ছন্দই আবার ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে।
নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়ে আইসিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জু স্যামসন বলেন, 'গত দুই-তিন বছর ধরে আমরা যেভাবে খেলছি, সেটাই অনুসরণ করছি। আমরা এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং আমাদের একটি সফল পদ্ধতি আছে। পাওয়ারপ্লেতে যতটা সম্ভব রান করার চেষ্টা করি। কখনো সেটা ভালো হয়, কখনো হয় না। তবে বাইরের সব শব্দ দূরে রেখে আত্মবিশ্বাসী থাকার চেষ্টা করি এবং উচ্চ স্ট্রাইক রেটে রান করে যাই।'