সবশেষ ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের হয়ে খেলেছিলেন শামি। বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচটি এবং সেমিফাইনালে ডানহাতি পেসার নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। তবে ফাইনালে ৯ ওভারে ৭৪ রান দেওয়ার পর থেকেই জাতীয় দলের বাইরে আছেন। ৫৪৫ দিন ধরে ভারতের ওয়ানডে দলের স্কোয়াডে নেই শামি। টেস্ট খেলেছেন ১ হাজার ১৮২ দিন আগে। অথচ ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতই পারফর্ম করছেন তিনি।
রঞ্জি ট্রফির সবশেষ আসরে বাংলার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন শামি। সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে ডানহাতি পেসারের চেয়ে বেশি উইকেট নিতে পারেননি বাংলার কোনো বোলার। বিজয় হাজারে ট্রফিতেও আলো ছড়িয়েছিলেন। শামি যখন ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করছেন তখন জাতীয় দলের পেসাররা চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন। জসপ্রিত বুমরাহ, হার্শিত রানা, আকাশ দীপদের খেলাতে বেগ পেতে হচ্ছে ভারতকে।
এমন পরিস্থিতিতেও শামিকে জাতীয় দলে ফেরাচ্ছে না অজিত আগারকারের নির্বাচক প্যানেল। ডানহাতি পেসারকে দলে না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে কিনা। যদিও এমনটা মানতে নারাজ সৌরভ। ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিজের ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা সামনে এনেছেন। ওয়ানডেতে ১০ হাজারের বেশি রান করেও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি।
শামিকে নিয়ে সৌরভ বলেন, ‘তাকে (শামি) উপেক্ষা করা হচ্ছে না। সে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে। সে চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার। কিন্তু আপনার যখন বয়স হবে তখন এমনটা হয়ে থাতে। ১০ হাজারের বেশি রান করার পরও ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য বাদ পড়েছিলাম। আমি আমার ফেরার উপায় খুঁজে নিয়েছিলাম। এটা সবার সঙ্গেই ঘটে।’
জাতীয় দলে সুযোগ না পেলেও নিয়মিতই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছে শামি। সবশেষ রঞ্জি ট্রফি, সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি ও দুলীপ ট্রফিতে খেলেছেন ডানহাতি এই পেসার। ইষ্ট জোনের হয়ে সেমিফাইনালে অবদানও রেখেছেন। অধিনায়ক ইশান কিশান জানিয়েছেন, শামির মধ্যে এখনো জাতীয় দলে ফেরার ক্ষুধা দেখেন।
শামি ঘরোয়া ক্রিকেট খেলায় সৌরভও খুশি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে ভারতের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘শামির কোন জিনিসটা আমার ভালো লাগছে জানেন? সে প্রতিনিয়ত ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছে এবং পারফর্ম করছে। এটা দেখতে দারুণ লাগছে। সে অনেক কিছুই অর্জন করেছে।’