জিম্বাবুয়ের রান তাড়া শুরু হয় সাউথ আফ্রিকার বোলারদের দাপটের মধ্যে। প্রথম চার ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। পাওয়ারপ্লে শেষে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৪৬ রানে ৪ উইকেট। ইথান বশ ও ডুয়ান জানসেন শুরুতেই দুইটি করে উইকেট নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন। এরপর অধিনায়ক বিয়র্ন ফরটুইনও আক্রমণে এসে রায়ান বার্ল, সিকান্দার রাজা ও নিউম্যান নিয়ামহুরিকে ফিরিয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন।
এরপরও লড়াই ছাড়েনি জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে নেমে ব্র্যাড ইভান্স একাই ম্যাচটাকে কিছুটা জমিয়ে তোলেন। কুনদাই মাতিগিমুর সঙ্গে নবম উইকেটে ৫২ রানের জুটি গড়েন তিনি। মাতিগিমু ১৯ রান করে ফিরলেও ইভান্স তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফিফটি। ৩১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি, ইনিংসে ছিল চারটি চার ও চারটি ছক্কা। তবে তার লড়াই জিম্বাবুয়েকে জয়ের কাছাকাছিও নিতে পারেনি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে সাউথ আফ্রিকাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ওপেনার জর্ডান হারমান ও কনর এস্টারহাউজেন। প্রথম ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন তারা। পাওয়ারপ্লেতেই আসে ৬৭ রান, আর উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে ৮৪ রান। এস্টারহাইজেন ২৩ বলে ৩২ রান করে ফিরলেও জর্ডান হারমান তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফিফটি। ২৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি ছক্কা। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।
মাঝের ওভারগুলোতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান তোলার গতি ধরে রাখেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও রুবিন হারমান। ব্রেভিস করেন ৩২ রান, রুবিনের ব্যাট থেকে আসে ২৭। শেষ দিকে ডুয়ান জানসেনের ১৪ বলে অপরাজিত ২৩ রানে ২০০ পার করে প্রোটিয়ারা। সিরিজজুড়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা ব্রেভিসই হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা। পাঁচ ম্যাচে তার সংগ্রহ ২২৬ রান, স্ট্রাইক রেট ১৬৬-এর বেশি।