তাদের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে ছয় দলের এই টুর্নামেন্ট একই সময়ে অন্য কোনো ভেন্যুতে আয়োজন করা হবে। সম্ভাব্য আয়োজক হিসেবে এগিয়ে আছে ভারত। আগামী অক্টোবরের আইসিসি বোর্ড সভায় নতুন আয়োজক দেশের নাম চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেও অনেকবার দেশের ক্রিকেটে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।
এমনকি তাদের নিষেধাজ্ঞাও ভোগ করতে হয়েছে। এবার জানা গেছে ‘ট্রান্সফরমেশন কমিটি’ নামের একটি কমিটি গঠন করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। ক্রিকেট বোর্ডের সংবিধানসহ গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে। তবে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পাওয়া কোনো প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয় না আইসিসি।
ট্রান্সফরমেশন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসএলসির প্রতিনিধিরাও আইসিসির বোর্ড সভায় অংশ নিতে পারছেন না। এ কারণে এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ হারাতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। ২০২৬ সালের পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করেছিল।
এরপর ২০২৭ সালের নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনের দায়িত্বও পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। টুর্নামেন্টটি শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে স্বাগতিক দলটির ওপর। কারণ, আয়োজক দেশ হিসেবে শ্রীলঙ্কা টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলবে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ছয় দল।