আইপিএল ইস্যুতে এবার বোর্ডের কাছে ক্ষমা চাইলেন থুশারা

আইপিএল
নুয়ান থুশারা, ফাইল ফটো
নুয়ান থুশারা, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আইপিএলে খেলার জন্য অনাপত্তিপত্র না পাওয়া নিয়ে শ্রীলঙ্কার পেসার নুয়ান থুশারার সঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, সেটি এখন ভিন্ন মোড় নিতে যাচ্ছে। শুরুতে আইনি পথে হাঁটলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতার দিকেই ঝুঁকেছেন এই ডানহাতি পেসার। বোর্ডের বিরুদ্ধে করা মামলা থেকে সরে এসে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) প্রধান নির্বাহী অ্যাশলে ডি সিলভা ও সভাপতি শাম্মি সিলভাকে পাঠানো এক বার্তায় থুশারা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সেখানে তিনি জানান, বোর্ডকে চাপে ফেলা বা আদালতে নেয়া তার মূল উদ্দেশ্য ছিল না; বরং নিজের প্রতি হওয়া আচরণ নিয়ে তিনি কেবল ন্যায়সংগত সমাধান চেয়েছিলেন।

থুশারা লিখেছেন, 'আমার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়বিচার পাওয়া। আমার মনে হয়েছিল, এই বিষয়ে আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমি শুধু চেয়েছিলাম আমার উদ্বেগের বিষয়টি যেন গুরুত্ব দিয়ে শোনা হয়। বোর্ডকে ছোট করা বা বিবাদে জড়ানো আমার লক্ষ্য ছিল না।'

এর আগে করা মামলায় বোর্ডের শীর্ষ চার কর্মকর্তাকে বিবাদী করেছিলেন থুশারা। তবে এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে নিজের পদক্ষেপের কারণে কোনো ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়ে থাকলে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ৩১ বছর বয়সী এই পেসার।

তিনি আরও লিখেছেন, 'আমার কোনো কাজের কারণে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড বা কর্মকর্তাদের যদি কোনো অসুবিধা বা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে থাকে, তবে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আমি আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে এবং আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে আগ্রহী। আমি আশাবাদী যে আমরা ইতিবাচকভাবে সামনে এগিয়ে যেতে পারব।'

চলতি মৌসুমে আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলার কথা ছিল থুশারার। তবে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় বোর্ড তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি, যাতে প্রতিযোগিতাটিতে অংশ নেয়ার সুযোগ পান।

গত ১ এপ্রিল কলম্বোর জেলা আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয় এবং ইতোমধ্যে এর প্রাথমিক শুনানিও সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয়েছে ২৩ এপ্রিল। তবে থুশারার সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর এখন দেখার বিষয়, দুই পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না।

আরো পড়ুন: