যদিও প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়। ভবিষ্যতে এই নথি প্রকাশ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আইপিএল এখন বার্ষিক আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। এর আগে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (এনএফএল)। আইপিএলকে তিনি কখনই বিসিসিআইয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল না বলে জানালেন মোদি।
স্পোর্টস্টারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘২০০৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এভাবেই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল এবং বিসিসিআই গভর্নিং কাউন্সিল অনুমোদন দিয়েছিল যে আইপিএল বিসিসিআই এর কোনো অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি স্বাধীন কোম্পানি। আমি অনেক বিরোধিতার মুখে পড়েছিলাম। বলা হয়েছিল, যদি এটি চালু করতে চান, তাহলে এভাবেই করতে হবে।'
তিনি যোগ করেন, 'মালিকরা বোর্ডে বসে নিয়ন্ত্রণ করবে, এনএফএল এর মতো করে সেটি গঠন করা হয়েছিল। একদিন আমি সেই নথি প্রকাশ করব। সংবাদ সম্মেলনের আগে বিশেষ সাধারণ সভায় যা অনুমোদিত হয়েছিল, সেটিই ছিল প্রকৃত সত্য। পরে ২০০৭ সালের নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসে জয়পুরে সেটি পরিবর্তন করা হয়, যখন অন্যরা এসে বলে এটি এভাবে করা যাবে না।’
যদি মূল কাঠামোটি অক্ষুণ্ণ থাকত, তাহলে আজ আইপিএল সবার শীর্ষে থাকতো। এমনকি নিজস্ব ইকোসিস্টেম কাজে লাগিয়ে নিজেরাই পুরো বিশ্বে আইপিএল সম্প্রচার করতে পারত বলে দাবি মোদির। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বোর্ডে প্রতিনিধিত্ব করতে পারতেন আইপিএলের মালিকরা।
খোলাসা করে মোদি বলেন, ‘যদি সেই কাঠামো বজায় থাকত, যেখানে মালিকরা বোর্ডে প্রতিনিধিত্ব করতেন এবং লিগ নিজেই তার কার্যক্রম পরিচালনা করত, তাহলে এখন আইপিএল নিজস্ব একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেমে পরিণত হতো। পৃথিবীর কোনো কোম্পানিই তখন এর নাগাল পেত না। আমরা নিজেরাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতাম এবং বিশ্বজুড়ে নিজেদের স্ট্রিমিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্য বিপণন করতাম।’