মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন ওপেনার ও অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। আর ২২ রান করেন নিলাকশিকা সিলভা। ২০ রান করেন ভিষ্মি গুনারত্নে। এর বাইরে দুই অঙ্কেই পৌঁছাতে পারেননি কেউ। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন শ্রী চরণি। দীপ্তি নেন ৩টি উইকেট।
এদিন ফাইনালে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ভারত। ব্যাট করতে নেমে দলটিকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালী ভার্মা। দুজনে মিলে পাওয়ার প্লেতেই বিনা উইকেটে ৫৭ রান তুলে নেন। মান্ধানা একটু ধরে খেললেও অন্যপ্রান্তে বেশ আগ্রাসী ছিলেন শেফালী। তিনি দ্রুত হাফ সেঞ্চুরির পথে হাঁটতে থাকেন।
পাওয়ার প্লের খানিক পরেই মাত্র ২৪ বলে নিজের হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ভারতীয় এই ব্যাটার। এটি টি-টোয়েন্টিতে তার ২১তম হাফ সেঞ্চুরি। কাভিশা দিলহারিকে অফ সাইড দিয়ে চার মেরে এই হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছান শেফালী। ১০ ওভারে তারা বিনা উইকেটে ৯৮ রান তুলে নেয়। এরপর মাত্র দুই বলেই একশ পেরিয়ে যায় ভারত।
এর মধ্যে দিয়ে ষষ্ঠবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে একশ রানের জুটি গড়ার রেকর্ড গড়েন মান্ধানা ও শেফালী। ১১তম ওভারের শেষ বলে বল স্লটে পেয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে ৩৬তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মান্ধানা। দলীয় ১২৯ রানে শেফালী ফিরলে এই জুটি ভাঙ্গে। শেফালীর ব্যাট থেকে এসেছে ৩৯ বলে ৬৮ রানের ঝড়ো ইনিংস এসেছে।
খানিক বাদেই রান আউট হয়ে ফেরেন ৩৯ বলে ৫৯ রান করা মান্ধানা। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি রিচা ঘোষ। তিনি আউট হন ১৭ রান করে। এরপর ভারতের ইনিংস টানেন অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও দীপ্তি শর্মা। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি হারমানপ্রীতও। তিনি ফেরেন ১৪ বলে ১৪ রান করে। রান আউট হয়ে ফেরেন দীপ্তি শর্মা।
তার ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। ভারতি ফুলমানি ২ ও গুনালান কামালিনি ৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থেকে ভারতকে ১৮৩ রানে পৌঁছে দেন। শ্রীলঙ্কার হয়ে একটি করে উইকেট নেন মিতালী অযোধ্যা, চামারি আতাপাত্তু ও চামুদি প্রাবদা।