সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে সময়টা ভালো যাচ্ছে না ল্যাবুশেনের। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ৪৩ টেস্ট ইনিংসে তার গড় মাত্র ২৪.৬৯। এই সময়ে নেই কোনো সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ইনিংসে তার রান ছিল ১, ৩১ ও ৪। এরপরও তিন নম্বরে জায়গা ধরে রাখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে সফরের ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়া কনোলি এবার টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এখনো সেঞ্চুরি না থাকলেও জুনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার দলে অতিরিক্ত ব্যাটার বা উইকেটরক্ষক হিসেবে আছেন জশ ইংলিস।
অতিরিক্ত স্পিনার হিসেবে কুহনেমানের অন্তর্ভুক্তিও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে অস্ট্রেলিয়ার দলে দ্বিতীয় স্পিনার ছিলেন তিনি। তবে অ্যাশেজের দলে জায়গা পাননি। এবার অবশ্য সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে কেশভ মহারাজের বোলিং মোকাবিলায় সতীর্থ ব্যাটারদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে পারেন কুহনেমান।
সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশন পেসারদের জন্য বেশি সহায়ক হওয়ায় একাদশে দুই স্পিনার রাখার সম্ভাবনা কম অস্ট্রেলিয়ার। এমনকি কোনো স্পিনারকেও একাদশের বাইরে রাখা হতে পারে। পেস আক্রমণে যথারীতি আছেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও স্কট বোল্যান্ড।
আগস্টের শুরুতে অনুশীলন শিবিরে কাফ স্ট্রেইনে পড়েছিলেন নেসার। চোট কাটিয়ে এবার পঞ্চম পেসার হিসেবে দলে ফিরেছেন তিনি। স্কোয়াডে দুই অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ও বেউ ওয়েবস্টারও আছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে বাদ পড়া জেক ওয়েদারাল্ডের জায়গায় দলে আসা ওপেনার ম্যাট রেনশও নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াড- প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজেলউড, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুহনেমান, মার্নাস ল্যাবুশেন, নাথান লায়ন, মাইকেল নেসার, ম্যাথু রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও বেউ ওয়েবস্টার।