দিনের শুরুতে ৯ উইকেটে ২৪৮ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাং শেষ উইকেট জুটিতে আরও ৪৭ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত আলি উসমানের বলে লং অফে ক্যাচ দিয়ে অ্যাটকিনসন ফিরলে থামে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। ১১ নম্বরে নেমে টাং ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন, তার ইনিংসে ছিল চারটি চার।
জবাবে পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে। চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি ইমাম-উল-হক। তার অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের আর্চার, অ্যাটকিনসন ও টাংয়ের গতি এবং রবিনসনের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটাররা। আজান আওয়াইস ছাড়া কেউই তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।
আওয়াইস ও সৌদ শাকিলের ৩৩ রানের জুটি এবং আওয়াইস ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ২৮ রানের জুটিই ছিল পাকিস্তানের ইনিংসে স্বস্তির একমাত্র মুহূর্ত। শাকিল ১৬ বলে ১৬ রান করেন। অন্যদিকে আওয়াইস প্রায় চার ঘণ্টা উইকেটে থেকে এক প্রান্ত আগলে রাখেন। তবে শেষ পর্যন্ত রবিনসনকে আক্রমণ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ৪৬ রানে থামেন তিনি।
পাকিস্তানকে ১১০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১৮০ রানের লিড পায় ইংল্যান্ড। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা অবশ্য স্বস্তির ছিল না তাদের। খুররম শাহজাদ দ্রুত দুই উইকেট তুলে নেন। আলগা শটে অতিরিক্ত কভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বেন ডাকেট, আর ১১ রানে জর্ডান কক্স হন এলবিডব্লিউ।
জো রুট কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও মোহাম্মদ আলির বলে লেগ বিফোর হয়ে ৫ রানে ফিরে যান। এরপর আর কোনো উইকেট নিতে পারেনি পাকিস্তান। এমিলিও গে এক প্রান্ত আগলে রাখেন। সাথে হ্যারি ব্রুকও তাকে সঙ্গ দিয়ে দিন পার করেন। ফলে ৮১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তৃতীয় দিনে আরও বড় লিডের পথে ইংল্যান্ড।