সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় বসবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেই আসরকে সামনে রেখে ভারতের সম্ভাব্য দল নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে শামির পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে সাবেক ক্রিকেটার ও বিশ্লেষকদের।
জহিরের মতে, শামি যেভাবে পারফর্ম করছেন, তাতে জাতীয় দলে ফেরার বিষয়টি তার প্রাপ্য। বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে অভিজ্ঞ একজন পেসার ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন।
জহির খান বলেন, 'কেউ যদি এভাবে পারফর্ম করে, তাহলে তাকে অবশ্যই ভারতীয় দলের পরিকল্পনায় রাখতে হবে। তার বিশ্বকাপ খেলা উচিত এবং দলের অংশ হওয়া উচিত।'
তিনি আরও বলেন, 'মোহাম্মদ শামি যদি ফিট থাকেন এবং খেলার জন্য উপযুক্ত থাকেন, তাহলে ভারতের উচিত তার মতো একজন অভিজ্ঞ বোলারকে সাউথ আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়া।'
গত মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটেও দুর্দান্ত ছিলেন শামি। রঞ্জি ট্রফিতে সাত ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৩৭ উইকেট। এরপর বিজয় হাজারে ট্রফির সাত ম্যাচে তার শিকার ১৫ উইকেট। প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ' দুই ধরনের ক্রিকেটেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেছেন এই পেসার।
বিশ্বকাপে শামির অতীত রেকর্ডও জহিরের দাবিকে আরো শক্ত করছে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে মাত্র কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েও ২৪ উইকেট নিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছিলেন তিনি। বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণও দিয়েছিলেন এই পেসার।
শামির ছোটবেলার কোচ মোহাম্মদ বদরুদ্দিনও মনে করেন, এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবদান রাখার সামর্থ্য রয়েছে তার। দেশের প্রয়োজন হলে শামি প্রস্তুত থাকবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে বোলিং করা সহজ নয় বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন বদরুদ্দিন। সেখানে সফল হতে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বদরুদ্দিন বলেন, 'সাউথ আফ্রিকায় বোলিং করা সহজ নয়। সেখানে আপনার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।'
এদিকে শামিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জহির। অর্থাৎ, যখনই খেলার সুযোগ পাবেন, বল হাতে দলের জন্য অবদান রাখাই তার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন সাবেক এই পেসার। এ প্রসঙ্গে জহির বলেন, 'তাকে শুধু ভাবতে হবে কীভাবে সে অবদান রাখতে পারে এবং যেসব বিষয় তার নিয়ন্ত্রণে আছে, সেগুলোই করতে হবে।'