ম্যাকডোনাল্ডের মতে, আইপিএল খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্সে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে টেস্ট দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের শারীরিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, ক্যামেরন গ্রিন ও ট্রাভিস হেড বর্তমানে আইপিএলের বিভিন্ন দলে আছেন। জস ইংলিসও লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেন।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, 'অনেকে আইপিএল নিয়ে কথা বলা শুরু করবেন এবং ওই সময়টা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিও আসবে। আইপিএল আমাদের অনেক খেলোয়াড়ের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ। আমার বিশ্বাস, বিশ ওভারের ক্রিকেটে এটি সেরা প্রতিযোগিতা। সেখানে আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের খেলানোর পারফরম্যান্সগত সুবিধাও রয়েছে। তবে সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।'
২০২৩ সালের অভিজ্ঞতাও এবার অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। সেবার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও ট্রাভিস হেড আইপিএলে খেলেননি। এরপর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও অ্যাশেজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তারা। এবারও বিশেষ করে পেসারদের ওয়ার্কলোডের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড।
তিনি বলেন, 'এই সময়ে আমাদের পেসারদের শরীরকে বিশ্রাম দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। ২০ বা ২১টি ম্যাচের যে কঠিন সময় সামনে রয়েছে, সেগুলোর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখতে তাদের শরীরকে ঠিকভাবে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিতে হবে। খেলোয়াড়েরা পুরো পথজুড়েই ভালো সিদ্ধান্ত নেয়, আর সেসব সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে চিকিৎসা দল ও কোচদের সঙ্গে আলোচনা।'
অস্ট্রেলিয়ার সামনে এরপর রয়েছে অ্যাশেজ, সম্ভাব্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এবং বিশ্বকাপ। ফলে প্রতিটি খেলোয়াড়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড। আইপিএলে খেলার বিষয়ে তাই এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া।
ভারত সফরের টেস্টগুলোতে পেসাররা কতটা বোলিং করছেন, ট্রাভিস হেডের মানসিক চাপ কতটা বাড়ছে- এসব বিষয় বিবেচনা করেই পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ম্যাকডোনাল্ড বলেন, 'আইপিএলকে শুরুতেই বাদ দেয়ার কোনো কারণ নেই। যদি পরে দেখা যায় এটি মানিয়ে নেয়া সম্ভব নয়, তখন খেলোয়াড় ও ব্যবস্থাপনা মিলে সেই সিদ্ধান্ত নেবে।'