চেন্নাইয়ের প্রধান কোচ জহির খান

আইপিএল
জহির খান, ফাইল ছবি
জহির খান, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আইপিএলের আগামী আসরকে সামনে রেখে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে ভারতের সাবেক বাঁহাতি পেসার জহির খানকে নিয়োগ দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের ১৮ বছরের অধ্যায়ের পর এবার তার জায়গায় দায়িত্ব নেবেন জহির। ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর চেন্নাইয়ের প্রধান কোচের পদ ছাড়েন ফ্লেমিং।

২০১৭ সালে আইপিএল থেকে অবসরের পর ক্রিকেট পরিচালনা ও কোচিংয়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন জহির। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি পরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির বৈশ্বিক ক্রিকেট উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ছিলেন তিনি। ২০২৫ আইপিএলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন জহির। পরের মৌসুম শুরুর আগে অবশ্য লক্ষ্ণৌর সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হয়।

খেলোয়াড় হিসেবেও আইপিএলে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে জহিরের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছেন তিনি। আইপিএলে ১০০ ম্যাচে ১০২ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ভারতের হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৬১০ উইকেট রয়েছে তার। এবার সেই অভিজ্ঞতাই চেন্নাইয়ের কোচ হিসেবে কাজে লাগাবেন সাবেক এই পেসার।

দায়িত্ব পেয়ে চেন্নাইয়ের হয়ে কাজ করার অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়েছেন জহির। চেন্নাইয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জহির বলেন, 'আইপিএলের ইতিহাসের অন্যতম সফল দলের অংশ হওয়া আমার জন্য সম্মানের। ক্রিকেটার হিসেবে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে খেলেছি এবং তাদের সঙ্গে লড়াই উপভোগ করেছি। চেপকের সুপারফ্যানদের তৈরি করা পরিবেশ এই দলকে আরও বিশেষ করে তোলে। এত সমৃদ্ধ ইতিহাসের এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আমি অপেক্ষা করছি।'

জহিরকে স্বাগত জানিয়েছেন চেন্নাইয়ের মালিক রূপা গুরুনাথ। তিনি বলেন, 'চেন্নাই সুপার কিংসের প্রধান কোচ হিসেবে জহির খানকে নিশ্চিত করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তার সমৃদ্ধ খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার এবং তরুণ প্রতিভা গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা আমাদের দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। তার দিকনির্দেশনায় চেন্নাইয়ের মূল কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা আত্মবিশ্বাসী।'

দলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাসি বিশ্বনাথনও জহিরের ক্রিকেটীয় জ্ঞান ও তরুণ পেসারদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, 'জহির বিশ্বমানের বোলার এবং বছরের পর বছর অনেক তরুণ ক্রিকেটারের, বিশেষ করে পেসারদের মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রিকেটার হিসেবে ২০০০-এর দশকে ভারতের সাফল্যে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তিনি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্রিকেটীয় মস্তিষ্কের অধিকারী। তাকে আমাদের পরিবারের অংশ হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত।'

আরো পড়ুন: