ওয়াংখেড়েতে বাড়তি স্পিনার খেলিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে রানের পাহাড় গড়ার সুযোগ করে দেয় মুম্বাই। বেঙ্গালুরুর ব্যাটারদের ঝড়ের সামনে অসহায় ছিলেন মুম্বাইয়ের বোলাররা। একজন পেসার কমিয়ে বাড়তি স্পিনার খেলানোর সিদ্ধান্তও বুমেরাং হয়েছে মুম্বাইয়ের জন্য। দুই স্পিনার মিচেল সান্টনার ও মায়াঙ্ক মারকান্দে ৬ ওভারে খরচ করেন ৮৩ রান।
বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাতিদারের স্পিন খেলার সক্ষমতা জানা সবারই। তাই পাতিদারের ব্যাটিংয়ের সময় অনভিজ্ঞ লেগ স্পিনার মারকান্দেকে বোলিংয়ে আনায় হার্দিকের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অশ্বিন। পাতিদারের ঝড়ে দুই ওভারেই ৪০ রান হজম করেন মারকান্দে। অন্যদিকে মাত্র ২০ বলে ৫৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, 'রজত পাতিদার স্পিনারদের বিপক্ষে ভয়ংকর এক হিটার, আর সে যখন ব্যাট করতে এলো, তখনই সরাসরি বল তুলে দেওয়া হলো মারকান্দের হাতে। আমাদের বুঝতে হবে তখন মারকান্দের মনে কী চলছিল। হায়দরাবাদে পাতিদার আগেই তাকে একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল, আর সে নামার সঙ্গে সঙ্গেই আবার তাকে বল দেওয়া হলো।'
হার্দিকের এই ভুল সিদ্ধান্তই বেঙ্গালুরুর স্কোরকে ২৪০ রানে নিয়ে গেছে বলে মনে করেন অশ্বিন। বোলিং ইনিংসের এই ভুল দারুণ ব্যাটিং করেও পরে ঢেকে দিতে পারেনি মুম্বাই। ২১৮ রান করে ২২ রানে ম্যাচ হেরেছে হার্দিকরা। যা টুর্নামেন্টে মুম্বাইয়ের টানা তৃতীয় হার। এবারের মৌসুমে দারুণ দল গড়েও সঠিক কম্বিনেশন বেছে নিতে না পারায় এখনো ধুঁকছে মুম্বাই, দাবী অশ্বিনের।
অশ্বিন আরো যোগ করেন, 'এটা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ ছিল, আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দেখিয়ে দিয়েছে কেন তারা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটা খুব কঠিন ছিল, কিন্তু সেখান থেকে এভাবে ঘুরে দাঁড়ানো সহজ নয়।
'আমার কাছে একটু অবাক লাগছে, মুম্বাইয়ের স্কোয়াডে ভালো খেলোয়াড়ের অভাব নেই, কিন্তু তারা কোনোভাবেই ঠিকমতো কম্বিনেশনটা খুঁজে পাচ্ছে না। এটা প্রথমবার হচ্ছে না, গত ২–৩ বছর ধরেই এমনটা হয়ে আসছে।'