যদিও পাকিস্তানের সাবেক উইকেটরক্ষক কামরান আকমলের মতে, চলমান আইপিএল শেষ হলেই তাকে জাতীয় দলে সুযোগ দেয়া যেতে পারে। গত আইপিএল নিলামে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে নাম লেখান সূর্যবংশী। নিজের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে জানান দেন আগমনের। এরপর মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে সবাইকে চমকে দেন তিনি।
শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই নয়, চলতি বছরের শুরুতে ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই ব্যাটার। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও জিতেছিলেন তিনি। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন এবারের আসরের প্রথম ম্যাচেও। ১৫ বলে অর্ধশতক করে নতুন মৌসুম শুরু করেন সূর্যবংশী।
এরপরই তাকে জাতীয় দলে নেওয়ার আলোচনা জোরালো হয়। ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা এ বিষয়ে এখন দুই ভাগে বিভক্ত। রবিচন্দ্রন অশ্বিনসহ অনেকেই মনে করছেন, এখনও জাতীয় দলে খেলার মতো পরিপক্ক নন এই ওপেনার। তবে বয়স ১৫ হলেও জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার বলে মনে করেন কামরান।
ইউটিউবে ‘গেমপ্ল্যান’ নামের একটি অনুষ্ঠানে কামরান বলেন, ‘মাত্র আটটি আইপিএল ম্যাচেই সে একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। ইতোমধ্যেই তার একটি সেঞ্চুরি আছে। আমার মনে হয়, আইপিএলের পর ভারতের আসন্ন ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচগুলোতে সে সুযোগ পাবে। সে সব জায়গাতেই নিজেকে প্রমাণ করেছে। যদি সে এভাবেই পারফর্ম করতে থাকে, তাহলে অবশ্যই সুযোগ পাবে।’
এত কম বয়সেও সূর্যবংশীর পরিপক্কতায় মুগ্ধ কামরান। তিনি বলেন, ‘তার উপস্থিত বুদ্ধি, ম্যাচ সম্পর্কে ধারণা এবং যেভাবে সে খেলে, এত কম বয়সেই তার ব্যাটে সব প্রশ্নের উত্তর আছে। এটা সত্যিই অসাধারণ। আমরা তার পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি কথা বলছি, কারণ এটি ছিল ১২৮ রানের একটি ম্যাচ। কিন্তু তার ইনিংস চোখে পড়েছে, কারণ সে মাত্র ১৫ বলে ৫০ রান করেছে।’
সূর্যবংশীকে ঘিরে এই উন্মাদনা তৈরি হওয়ার পেছনে তার পরিবারের অবদানও বড় বলে মনে করেন কামরান। তিনি বলেন, ‘তার পরিবার, বিশেষ করে তার বাবা গর্ব করতে পারেন, যেভাবে তাকে গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি স্কুল ক্রিকেট ও ক্লাব ক্রিকেটে যেসব কোচ তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, তাদেরও বড় অবদান রয়েছে।’