ক্রিকেটারদের ইনজুরি নিয়ে আর আপোষ করবে না বিসিবির মেডিকেল বিভাগ

বাংলাদেশ ক্রিকেট
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ডা. শামীম
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ডা. শামীম
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ইনজুরি ম্যানেজমেন্টের বড় দায়িত্ব থাকে বিসিবির মেডিকেল বিভাগের। তবে অনেক সময়ই এই মেডিকেল বিভাগকেই 'বলির পাঠা' বানানো হয়। বিশেষ করে কদিন আগেই লিটন দাসের ইনজুরি নিয়ে বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছিল বিসিবির মেডিকেল বিভাগ। এবার বিসিবির মেডিকেল বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. মাহবুব আহমেদ শামীম জানিয়েছেন ক্রিকেটারদের ইনজুরির ব্যাপার আর ছাড় দেবেন না তারা।

অতীতে ক্রিকেটার বা নির্বাচকদের অনুরোধে অনেক সময় ক্রিকেটারদের চোটের মধ্যেই বিভিন্ন ছাড় দেয়া হয়েছে। অনেকেই অনুরোধ করেন নির্দিষ্ট ক্রিকেটারদের আগেভাগেই পুনর্বাসন দেয়া যায় কিনা। এসব বিষয়ে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ আপোষ করেছে। তবে এখন তাদের অনুমতি ছাড়া কিছু করা যাবে না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

শামীম গণমাধ্যেমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘আগে আমরা হয়তোবা কেউ একজন অনুরোধ করেছে আমাদেরকে যে এই খেলোয়াড়কে একটু আগেই পুনর্বাসন করা যায় কি না, আমরা এই সমস্ত জিনিসে আপোষ করেছি। আর আপোোষ করব না। আমরা একদম খাঁটি চিকিৎসা বিধি অনুযায়ী চলব এবং আমাদের কথা ছাড়া কেউ কিছু করতে পারবে না।’

এ ছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনেক বড় একটি অভিযোগ খেলোয়াড়দের ইনজুরি লুকিয়ে খেলার প্রবণতা। শামীম মনে করেন এই প্রবণতা সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে আছে। এমন সিদ্ধান্ত ক্রিকেটার বা অন্য খেলোয়াড়দের দীর্ঘ মেয়াদে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। অনেক সময় ছোটো ছোটো চোট নিয়ে ক্রিকেটাররা খেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। যা বড় ধাক্কার কারণ হতে পারে ভবিষ্যতের জন্য।

শামীমের ভাষায়, ‘এটা তো আমার দেশে না, পৃথিবীতেই আছে—ইনজুরি লুকানোর চেষ্টা করা। যাতে সামান্য ছোটখাটো ইনজুরি সে যদি সামলে নিয়ে চলতে পারে, সে হয়তোবা খেলতে পারে। খেলতে না পারলে তো অনেক ধরনের ক্ষতি হয়, তাই না? এটা এই প্রবণতা শুধু বাংলাদেশে না, সব দুনিয়াতেই আছে।’

লিটনের চোটের প্রসঙ্গ টেনে শামীম বলেন, ‘লিটন আমাদের ক্যাপ্টেন, ও তো খেলতে চাইবে—এটাই খুব স্বাভাবিক। তবে আমরা এটা অনেক সময় হয়তোবা কমপ্রমাইজ করেছি, যেটা আগেই করা উচিত ছিল না। অন্যান্যদের রিকোয়েস্ট শুনে আমরা হয়তোবা সেটা কিছুটা আগে করতে দিয়েছি বা তারই রিকোয়েস্টে আগে করতে দিয়েছি।’

আরো পড়ুন: