শান্তর অধিনায়কত্বে মুগ্ধ অশ্বিন, দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার বিপদ সংকেত

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ
রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও নাজমুল হোসেন শান্ত
রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও নাজমুল হোসেন শান্ত
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রীতিমতো ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ম্যাচটি শেষ হয়ে গেছে বেশ কয়েকদিন আগে। তবে এর রেশ যেন কাটছেই না। এখনও বাংলাদেশ দলকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন অনেকে। ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন মনে করেন বাংলাদেশের এই ম্যাচে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে প্রথম ইনিংসে পেসারদের বোলিং।

বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদের প্রশংসা করেছেন তিনি। এই ম্যাচে হাসান ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন। উজ্জ্বল ছিলেন তাসকিনও। হাসানের প্রশংসা করতে গিয়ে ভারতের মাটিতে হাসানের পারফরম্যান্সের ইতিহাস টেনে এনেছেন অশ্বিন। সেখানে প্রথম ইনিংসেই ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন বাংলাদেশের এই পেসার।

অশ্বিন বলেন, 'এই টেস্ট ম্যাচে প্রথম ইনিংসে তাদের ফাস্ট বোলিং আক্রমণ যেভাবে বল করেছে, তা বাংলাদেশের জন্য ম্যাচের ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। তাসকিন আহমেদ দারুণ জায়গায় বল করেছেন, হাসান মাহমুদ অসাধারণ বোলিং করেছেন। আপনার যদি মনে থাকে, ভারতেও (চেন্নাইতে) বাংলাদেশ যখন টেস্ট খেলেছিল, হাসান মাহমুদ কিন্তু আমাদের বেশ ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিলেন। সে দারুণ একটা স্পেল করেছিল।'

এরপর তানজিদ হাসানের প্রশংসা করে অশ্বিন বলেন, 'এই টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো দিক ছিল তাদের ব্যাটিং। তানজিদ হাসান যেভাবে ব্যাট করেছেন, পুরো আধিপত্য বজায় রেখে খেলেছেন। শান্ত চমৎকার ব্যাটিং করেছেন, মেহেদীও নিচের সারিতে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তারা সত্যি বলতে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে ফিরে আসার বিন্দুমাত্র সুযোগ দেয়নি।'

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশকে লাগাতার সাফল্য এনে দিচ্ছেন। পাকিস্তানকে তাদের মাটিতেই হোয়াইটওয়াশ কিংবা ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের মতো সাফল্য এসেছে তার হাত ধরে। এবার তো অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই সবচেয়ে বড় সাফল্য এনে দিয়েছেন শান্ত। তার অধিনায়কত্বে মুগ্ধ হয়েছেন অশ্বিন।

সেই মুগ্ধতা নিয়ে তিনি বলেছেন, 'আমি শান্তর অধিনায়কত্বে মুগ্ধ হয়ে গেছি— বোলারদের যেভাবে ঘোরালেন, ব্যাটে অবদান রাখলেন এবং একটা আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে খেললেন। নাথান লায়নকে একদম সেট হতে দেননি। বাংলাদেশের জন্য এই জয় অনেক বড় হলেও, নিয়মিত টেস্ট সেন্টারগুলোর জন্য এটি একটি আলোচনার বিষয়। আর তৃতীয় পয়েন্ট হলো, এটি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের জন্য একটি বিপদের সংকেতও হতে পারে।'

আরো পড়ুন: