টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে রূপগঞ্জ। ইনিংসের শুরুতেই মাহমুদুল হাসান জয়কে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ। এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট হারিয়ে দলীয় সংগ্রহ মাত্র ৩৯ রানে তিন উইকেটে নেমে আসে।
সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন লিটন দাস ও ইরফান শুক্কুর। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। লিটন ৪৩ রান করে বিদায় নিলেও অপর প্রান্তে দৃঢ় ছিলেন ইরফান। উইকেটরক্ষক এই ব্যাটার শতক তুলে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন।
পরে মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ১৪৭ রানের বড় জুটি গড়েন ইরফান। মিরাজ ৭২ রান করেন, আর ইরফান খেলেন ১১৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তাদের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত্তি পেয়ে যায় রূপগঞ্জ।
তবে শেষ ভাগে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন মুস্তাফিজ। তার বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের সামনে প্রতিরোধ গড়তে পারেনি নিচের সারির ব্যাটাররা। সামিউন বশির, নাসুম আহমেদ ও আব্দুল হালিমকে ফিরিয়ে দিয়ে রূপগঞ্জের ইনিংস ২৭৫ রানে থামিয়ে দেন তিনি। ৯.৪ ওভারে মাত্র ৩০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন এই পেসার।
জবাবে শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করে আবাহনী। ছয় ওভারে এক উইকেটে ৫১ রান করার পর গতকাল বাজে আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ শেষ হয়। আজও বৃষ্টির সভাবনায় খেলা বন্ধ থাকলে লক্ষ্য কমে দাঁড়ায় ২০ ওভারে ১৬৩ রানে।
এ দিন নাজমুল হোসেন শান্ত ৩০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনও অল্প বলেই দ্রুত রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন। মধ্যভাগে শেখ মেহেদী হাসান তিনটি উইকেট নিয়ে কিছুটা চাপ তৈরি করলেও আবাহনীর জয় আটকাতে পারেননি।
জাকের আলী অপরাজিত ৩৩ রান করে দলের রান তাড়ার কাজ সহজ করে দেন। শেষদিকে রকিবুল হাসানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আবাহনী।
এই জয়ে ৯ ম্যাচ শেষে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আবাহনী। শীর্ষে থাকা মোহামেডানের চেয়ে তারা পিছিয়ে আছে মাত্র দুই পয়েন্টে। লিগের এখনও তিনটি পর্ব বাকি থাকায় শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।