ভারতের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬টি ওয়ানডে খেলেছেন জয়সাওয়াল। ব্যাট হাতে ৭১ এর উপরের গড়ে ২৮৫ রান করেছেন তিনি। সেঞ্চুরি আছে দুটি। যদিও টেস্টে ভারতের নিয়মিত সদস্যদের মধ্যে একজন জয়সাওয়াল। এরই মধ্যে ৩১ টেস্টে খেলে ২ হাজার ৬১২ রান করেছেন তিনি। ৭টি সেঞ্চুরির সঙ্গে তার নামের পাশে রয়েছে ১৩টি হাফ সেঞ্চুরিও।
সম্প্রতি জিওস্টারের ‘ফলো দ্য ব্লুজ’ অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় জয়সওয়ালকে নিয়ে ইরফান বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই ওয়ানডে সিরিজে যে খেলোয়াড় কতটা সুযোগ পাচ্ছে, তার মধ্যে একজনের দিকে আমি বিশেষ নজর রাখব, সে ইয়াসভি জয়সওয়াল। সে দলে ব্যাকআপ ওপেনার। সাউথ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার সময় দলের ব্যাকআপ ওপেনারের যথেষ্ট ম্যাচ খেলা থাকা উচিত।’
জয়সাওয়ালকে নিয়মিত সুযোগ দেয়ার পক্ষে মত দিয়ে ইরফান আরও বলেন, ‘সুযোগ পেলেই আমি তাকে নিয়মিত খেলতে দেখতে চাই। অবশ্য কীভাবে সেই সুযোগ তৈরি করবেন, সেটি ভাবতে হবে। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনা যায়, খেলোয়াড়দের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো যায়। তবে আমি আশা করি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সে সুযোগ পাবে।’
২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের ওয়ানডে সিরিজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে দলে না থাকলেও এবার জয়সওয়াল ফিরেছেন। ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে দলের মূল একাদশের পাশাপাশি বেঞ্চ শক্তিও প্রস্তুত করতে চাইছে ভারত। যদিও ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে প্রথম সারির খেলাচ্ছে না।
এশিয়ান গেমসে শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে খেলবে ভারত। এই টুর্নামেন্টের জন্য জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর খেলছেন না ক্যারিবিয়ারদের বিপক্ষে। ফলে তরুণ ক্রিকেটারদের ঝালিয়ে নেয়ার দারুণ এক সুযোগ পাচ্ছে ভারত। বিশ্বকাপের আগে এটাকেই বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
ইরফান বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এটি ভারতের মূল দল নয়, আর আমার মনে হয় এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। বুমরাহ নেই, শ্রেয়াস, অক্ষর ও ওয়াশিংটন সুন্দরও এশিয়ান গেমসে খেলছে। বিশ্বকাপের আগে হাতে খুব বেশি ম্যাচ নেই। তাই এই ম্যাচগুলোতে বেঞ্চ শক্তিও পরীক্ষা করতে হবে।’