চোটের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি নাভিন। ইংল্যান্ডে অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। প্রথম অস্ত্রোপচার হয়েছিল কাঁধের চিড়ের জন্য, পরে নিতম্বের চোটের জন্য আরও একটি অস্ত্রোপচার করাতে হয়।
দীর্ঘ এই সময়টাকে বেশ কঠিন বলে জানিয়েছেন নাভিন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) তিনি বলেন, 'এটা খুব একাকিত্বের ব্যাপার ছিল। একজন মানুষের জন্য সময়টা খুব কঠিন। কাঁধের চিড় আট থেকে দশ সপ্তাহের মধ্যেই সেরে উঠেছিল। কিন্তু এরপর নিতম্বের চোটের জন্য আমাকে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার করাতে হয়।'
পুনর্বাসনের শুরুর দিকটাও সহজ ছিল না নাভিনের জন্য। ইংল্যান্ডে প্রথম ছয় সপ্তাহ তাকে বসে ঘুমাতে হয়েছে। মাঠের বাইরে থেকে আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ অভিযান দেখাও কষ্ট দিয়েছে তাকে, 'প্রথম ছয় সপ্তাহ পুনর্বাসনের সময় আমাকে বসে ঘুমাতে হয়েছে। আমাদের যতটা সম্ভব ক্রিকেট খেলতে হবে। কিন্তু একদিন সব শেষ হয়ে যাবে। সবাইকে চলে যেতে হবে এবং একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমরা এই সময়টাকে মিস করব।'
মাঠের বাইরে থাকার সময় ক্রিকেটের প্রতি নিজের টান আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন নাভিন। বিশেষ করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের পাশে থাকতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে তার, 'আমাদের খেলতে হবে, মাঠে নামতে হবে, চাপ অনুভব করতে হবে। আমার মনে হয়েছে, আমি যদি দলের সঙ্গে থাকতাম, তাহলে হয়তো শেষের ওভারগুলোতে ভিন্ন কিছু করতে পারতাম।'
২০২৩ সালে চোটের কারণে ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়েছিলেন নাভিন। তবে টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বোলার হিসেবেই বিবেচিত তিনি। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৩ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন এই পেসার। এবার ভারতের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায় তিনি।
নাভিনের ফেরার সিরিজেই নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব শুরু করবেন ইব্রাহিম জাদরান। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে আফগানিস্তান ও ভারত।