বাবরের দল চালানোর ক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান আথারটন

ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজ
বাবর আজম, ফাইল ছবি
বাবর আজম, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন বেশি আলোচনায় বোর্ডের একের পর এক সিদ্ধান্ত। প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর সাত ক্রিকেটারকে দেশে পাঠানো এবং কোচিং স্টাফে পরিবর্তনের ঘটনায় দলের ভেতরের স্থিতিশীলতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক বাবর আজমের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল আথারটন।

লিডসে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে পাকিস্তান। এরপর তৃতীয় টেস্টের আগে দলে বড় পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক ও সালমান আলী আঘাসহ সাতজনকে দেশে পাঠানো হয়। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জায়গায় তৃতীয় টেস্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মাইক হেসন ও অ্যাশলি নফকেকে।

এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট পডকাস্টে আথারটন বলেন, 'এই ঘটনায় দীর্ঘমেয়াদে যে ক্ষতি হবে, সেটি বড় বিষয়। খেলোয়াড়দের এভাবে পরিচালনা করার কোনো মানে নেই এবং এভাবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও তৈরি করা যায় না। বাবর আজমের জন্য এটি ভয়াবহ একটি পরিস্থিতি। আমি প্রশ্ন করতে চাই, এই দলে বাবর কিংবা পাকিস্তানের অন্য কোনো অধিনায়কের আসলে কতটা কর্তৃত্ব আছে?'

আথারটনের প্রশ্নটা মূলত দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অধিনায়কের ভূমিকা কতটা, সেটি নিয়ে। তার মতে, আধুনিক ক্রিকেটে অধিনায়কের হাতে আগের মতো পুরো ক্ষমতা না থাকলেও দলের ভেতরে তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ অবশ্যই থাকা উচিত। কিন্তু সিরিজের মাঝপথে সাত ক্রিকেটার ও দুই কোচকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বাবরের সেই কর্তৃত্ব কতটা আছে, তা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য আরও পরিষ্কার করে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেন,'এখনকার সময়ে অধিনায়ক সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নন। ৩০ বছর আগের মতো পরিস্থিতিও নেই, যখন অধিনায়করাই প্রায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। কিন্তু দলের ভেতরে তাদের কিছু কর্তৃত্ব তো থাকতেই হবে। যা ঘটেছে, তার পর বাবর এখন কীভাবে দলকে নেতৃত্ব দেবে?'

বাবরের অবস্থান আরও কঠিন হয়েছে কারণ চলতি বছরই আবার টেস্ট অধিনায়কত্বে ফিরেছেন তিনি। জুলাইয়ে শান মাসুদের কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইংল্যান্ড সফর দিয়ে নতুন মেয়াদ শুরু করার কথা ছিল তার। তবে চোটের কারণে হেডিংলি টেস্টে খেলতে পারেননি। লর্ডসে ফিরে দুই ইনিংসে মাত্র ৮ ও ৬ রান করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

আরো পড়ুন: