২০২৫ সালের জুনে ভারতের টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব পান গিল। এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও সাউথ আফ্রিকার কাছে হেরেছে ভারতীয়রা। এর ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে তারা। এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে ভারত।
গিল নিজের অধিনায়কত্ব নিয়ে বলেন, ‘আমি এই দায়িত্বে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। গত এক বছরে আমরা যেভাবে এগিয়েছি, সেটা আমার দৃষ্টিতে খুবই সন্তোষজনক। আমার মনে হয়, আমরা সঠিক পথে এগোতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই নিচ্ছি। অবশ্যই মূল লক্ষ্য আগামী বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলা।’
সামনে ৯টি টেস্ট খেলবে ভারত। এর মধ্যে ৬-৭টি ম্যাচে জিততেই হবে তাদের। তাই শ্রীলঙ্কা সিরিজটিকে গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে ভারত। গিল বলেন, ‘আমাদের সামনে প্রায় নয়টি টেস্ট আছে। ভালোভাবে ফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে এর মধ্যে ছয় বা সাতটি ম্যাচ জিততে হবে। সে হিসেবে এই সিরিজটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের আগে আমরা সঠিকভাবে প্রস্তুতিও নিয়েছি।’
আগের সফরগুলোর মতো তাড়াহুড়ো করে শ্রীলঙ্কায় না গিয়ে এবার ভারত আগেভাগেই সেখানে পৌঁছেছে। কলম্বোয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাদশের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে তারা। ফলে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট ভারতীয় অধিনায়ক। তিনি আশাবাদী বাড়তি সময় পাওয়ায় ক্রিকেটাররা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেবেন।
গিল বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কখনোই সহজ নয়। আমার মনে হয়, এই দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়েরই এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। অনেক খেলোয়াড়েরই এই কন্ডিশনে খেলার খুব বেশি ম্যাচ বা অভিজ্ঞতা নেই। তাই প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় পাওয়া অবশ্যই কাজে দেয়।’