সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হবার কৃতিত্ব অর্জন করে ভারত। একই সাথে প্রথম দল হিসেবে তিনবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তিও তাদের। শুধু সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটির কথা বাদ দিলে পুরো টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের ব্যাটিং ছিল দুর্দান্ত। সেমিফানাল-ফাইনালসহ মোট তিনবার ২৫০–এর বেশি রান তোলে সাঞ্জু স্যামসন-ইশান কিশানরা। যদিও এমন পারফরম্যান্সের পরও সমালোচনা ওঠে যে, স্বাগতিক হওয়ায় ভারত নিজেদের পছন্দের পিচে খেলার সুবিধা পেয়েছে।
কিন্তু ভারতের এই বাড়তি সুবিধা পাওয়া ত্বত্ত্বের সাথে একমত নন ইমাদ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মধ্যে প্রতিপক্ষ পক্ষে দাঁড়ানোর নজির খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু ইমাদের মত, ভারতের বিপক্ষে এই অভিযোগ অমূলক। সেই সাথে ভারত এখন পাকিস্তানের চেয়ে বড় দল সেটিও সবাইকে মেনে নিতে বললেন তিনি।
পাকিস্তানের একটি টিভি অনুষ্ঠানে ইমাদ বলেন, 'আমরা প্রায়ই শুনি মানুষ বলে যে আম্পায়াররা ভারতকে সাহায্য করে বা তাদের জন্য স্পিন–সহায়ক পিচ তৈরি করা হয়। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে স্বীকার করতেই হবে, পিচগুলো খুবই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। কখনো কখনো পরিস্থিতি ভারতের বিপক্ষেও ছিল, তবুও তারা দাপুটে পারফরম্যান্স করেছে।'
তিনি আরও বলেন, 'তাই সবসময় খুঁত ধরার চেষ্টা করা বা বলা যে ভারত কোনো অজুহাত খুঁজছে, এসব ঠিক নয়। একটি ক্রিকেট জাতি হিসেবে আমাদের তাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করা উচিত এবং এটাও মেনে নিতে হবে যে তারা আমাদের (পাকিস্তান) ও আরও অনেক দলের চেয়ে বড় দল।'
শুধু ইমাদ নন, ভারতের এই রেকর্ড গড়া বিশ্বকাপ জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদিও। সদ্য সমাপ্ত এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেবল একটি ম্যাচই হারতে দেখা যায় ভারতকে। সুপার এইটের একটি ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে হারে সূর্যকুমার যাদবের দল।
ভারতের পক্ষে আফ্রিদি বলেন, 'বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। আমার মনে হয় ভারত এই শিরোপার পুরোপুরি যোগ্য ছিল। তাদের দারুণ একটি দলগত সমন্বয় আছে। এমনকি বেঞ্চে বসে থাকা খেলোয়াড়রাও একাদশের খেলোয়াড়দের মতোই ভালো ছিল।'
'তাই আমি বলি, একটি দলের বেঞ্চ শক্তিশালী হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের বেঞ্চ খুব শক্তিশালী ছিল; সেখান থেকে যেকোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে একাদশে খেলানো যেত। তারা পুরো টুর্নামেন্টটাই চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছে।'