৩৩ বছর বয়সী এই পেসার প্রথমবার আইপিএলে খেলেছিলেন ২০১৪ সালে। গত তিন মৌসুম ধরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন তিনি। তবে আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ার সামনে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি । জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে চার টেস্টের সিরিজ, মার্চে মেলবোর্নে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ১৫০ বছর পূর্তির টেস্ট, এরপর পূর্ণাঙ্গ অ্যাশেজ সফর এবং বছরের শেষভাগে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপ রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কামিন্স বলেন, 'আগামী বছর কোনো না কোনো জায়গায় ছাড় দিতেই হবে। তবে সেটা টেস্ট ম্যাচ বা ওয়ানডে বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে হবে না। আমি সিদ্ধান্তটা আরও পরে নেব এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে আলোচনা করব কী করা সবচেয়ে যৌক্তিক হবে। পরিস্থিতি বদলাতে পারে। সম্প্রতি কয়েকটি চোটের সমস্যায় পড়েছি, তাই এখনই কোনো কিছু চূড়ান্ত করতে চাই না।'
অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্পষ্ট করে জানান, 'আমার কাছে সবসময়ই টেস্ট ক্রিকেট এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি পুরো ভারত সিরিজ খেলি, তাহলে কঠিন অ্যাশেজ সিরিজের আগে আমার কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন হবে।'
সবশেষ ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজে শুধুমাত্র অ্যাডিলেড টেস্ট খেলেছিলেন কামিন্স। দীর্ঘদিনের পিঠের চোটের কারণে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও মিস করেছিলেন। এদিকে অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্কও ত্রিশোর্ধ্ব হওয়ায়, নতুন বছরের সময় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজে তাদের বিশ্রাম দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন কামিন্স।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'এটা সম্ভব। গত কয়েক বছরে যেমনটা দেখেছি, আমরা সব ধরনের বিকল্পের জন্যই উন্মুক্ত।'
কামিন্সের মতে, ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ দিকে যদি কোনো বোলারের খেলার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে তাকে আগেভাগেই বিশ্রামে পাঠানো হতে পারে, যাতে অ্যাশেজের আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাওয়া যায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক বলেন, 'আগামী ১৮ মাস আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের সময়। তবে আশা করি ক্যারিয়ারের অন্যতম তৃপ্তিদায়ক অধ্যায় হিসেবেই আমরা এই সময়টাকে পরে স্মরণ করব।'