এনগিডিকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে সুখবর পেল দিল্লি

আইপিএল
লুঙ্গি এনগিডির চোট নিয়ে তীব্র উদ্বেগ, ফাইল ফটো
লুঙ্গি এনগিডির চোট নিয়ে তীব্র উদ্বেগ, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন গুরুতর চোট পেয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি। ফিল্ডিং করতে গিয়ে ক্যাচ ধরার চেষ্টায় মাথার পিছনে আঘাত লাগে এই পেসারের। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় মাঠ থেকেই দ্রুত তাকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

ঘটনার পর কিছুক্ষণ মাঠেই শুয়ে ছিলেন এনগিডি এবং সেখানেই তার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয়। পরে মাঠে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ঢোকে এবং তাকে সেটায় তোলা হয়। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল, ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই এই সাউথ আফ্রিকানকে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চোট পাওয়ার পর ঘাড় ও মাথায় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন এনগিডি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, বলে ভারতের গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে। অক্ষর প্যাটেলের বলে প্রিয়াংশ আরিয়া শট খেললে বলটি আকাশে উঠে যায়। পিছনের দিকে দৌড়ে ক্যাচ ধরতে যান এনগিডি, কিন্তু বলটি ধরতে পারেননি। ভারসাম্য হারিয়ে বাজেভাবে মাটিতে পড়ে যান এবং তার মাথা জোরে মাটিতে আঘাত করে।

আঘাত লাগার সঙ্গে সঙ্গেই মাথা চেপে ধরে মাটিতে শুয়ে পড়েন তিনি। দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি অচেতন হয়ে গিয়েছেন। যদিও একবার চোখ খুলেছিলেন, পরে আবার তা বন্ধ করে দেন। পরে চিকিৎসকদের সেবায় সাড়া দিতে দেখা গেলে কিছুটা স্বস্তি ফেরে, তবে তার পক্ষে ম্যাচে ফেরা সম্ভব নয় বলেই বোঝা যায়।

এরপর স্ট্রেচার এনে এনগিডিকে তোলার চেষ্টা করা হয়। শরীর শক্ত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে অসুবিধা হচ্ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তাকে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা সম্ভব হয়। সেই সময় তার পাশে ছিলেন জাতীয় দল ও দিল্লির দুই সতীর্থ ট্রিস্টান স্টাবস ও ডেভিড মিলার। পাঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিংকেও উদ্বিগ্ন মুখে মাঠে দেখা যায়।

এই ঘটনার জেরে প্রায় পনেরো মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। এনগিডিকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরই আবার খেলা শুরু হয়। আপাতত তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির দিকেই নজর রাখছেন চিকিৎসকরা এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার আশাই করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: