চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মাঠের ক্রিকেট থেকে পুরোপুরি বাইরে আছেন স্টার্ক। গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজে অতিরিক্ত ওয়ার্কলোডের ধকল সামলাতে লম্বা সময় ধরে মাঠের বাইরে চলে যান এই পেসার। প্রায় ১২ কোটি রুপিতে দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দিলেও প্রথম ছয় ম্যাচে তাই মাঠে নামা হয়নি তার। সব ঠিক থাকলে আগামী ১ মে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে দিল্লির এবারের আসরের নবম ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরবেন তিনি।
সবশেষ অ্যাশেজে মাত্র ১৯ গড়ে ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছিলেন স্টার্ক। কিন্তু পাঁচ ম্যাচে মোট ১৫৩.১ ওভার বল করাটা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে তার শরীরে। অ্যাশেজ শেষ হবার পর সিডনি সিক্সার্সের হয়ে বিগ ব্যাশে পাঁচটি ম্যাচ খেলেন তিনি। কিন্তু সেখানেই পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে ম্যাচে বাম কাঁধ ও কনুইতে ব্যাথা অনুভব করেন তিনি।
ফেব্রুয়ারিতে বিশ্রামের পর মার্চের শুরুতেই মাঠে ফেরার কথা থাকলেও বোলিংয়ে ফিরেই আবারো ব্যাথা অনুভব করেন তিনি। যার কারণে আইপিএলের শুরুর অংশ থেকে ছিটকে যান স্টার্ক। এবারের আইপিএলে নিজেদের পেসারদের খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোডের ব্যাপারে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
স্টার্কসহ জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্সও আইপিএলের শুরুর কিছু ম্যাচ খেলতে পারেননি ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে।অজি পেসারদের নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এমন বাড়তি সতর্কতার কারণে আইপিএলে সমর্থকদের সমালোচনাও শুনতে হয় স্টার্কদের। আইপিএলের লম্বা সময় অতিবাহিত হবার পরেও স্টার্ক অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ায় এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। অজি পেসারদের ইনজুরিকে 'ভুয়া' বলেও মন্তব্যও করেন অনেকে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে এসব মন্তব্যকে বিভ্রান্তিকর দাবি করেন স্টার্ক।
অবশেষে গত সপ্তাহে সিডনিতে ব্যাথামুক্তভাবে টানা বোলিং করতে পারার পরই ভারতের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার অনুমতি পেয়েছেন এই পেসার। আগামীকালই ভারতের বিমান ধরবেন তিনি। ভারতের মাটিতে এক সাপ্তাহের অনুশীলন শেষে আগামী শুক্রবারের ম্যাচে দিল্লির জার্সিতে মাঠে দেখা যাবে তাকে। কোনো নতুন ইনজুরি সমস্যা না হলে আইপিএলের বাকি অংশের পুরোটাই খেলার কথা তার।