মঙ্গলবারের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে চেয়েছিলেন অভিষেক ও ট্রাভিস হেড। তবে উইকেট কিছুটা ধীরগতির হওয়ায় পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয় তাদের। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে ধৈর্য ও আক্রমণের সমন্বয় করেন এই দুই ওপেনার।
অভিষেক বলেন, 'শুরুর দিকে আমাদের পরিকল্পনা ছিল আক্রমণ করা। আমি আর হেড প্রথম ভাগে সুযোগ কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উইকেট ধীর ছিল, তাই আমাদের পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'দুই ইনিংস শেষ না হওয়া পর্যন্ত বোঝা যায় না কত রান যথেষ্ট। অধিনায়ক, কোচ ও দলের সমর্থন খুব গুরুত্বপূর্ণ। তারা স্বাধীনতা দিলে নিজের মতো খেলা যায়।'
এই ম্যাচে ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করেন অভিষেক, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ১০টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৬৮ বলে অপরাজিত ১৩৫ রান করেন তিনি। তার এই ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই উইকেটে ২৪২ রান তোলে হায়দরাবাদ।
এমন পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন অভিষেক। বিশ ওভারের ক্রিকেটে তার শতরানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়টিতে, যা বিরাট কোহলির সমান।
অভিষেক আরো বলেন , 'আমি সব সময় এভাবেই খেলতে চেয়েছি। পাঞ্জাবের হয়ে যেমন খেলি, এখানেও তেমন খেলতে চাই। পাঞ্জাবের ক্রিকেটাররা সাধারণত স্বাধীনভাবে খেলতেই পছন্দ করে।'
দলের অধিনায়ক ইশান কিশান অভিষেকের ইনিংসের প্রশংসা করে বলেন, 'অভিষেক যেভাবে খেলেছে, তাতে বলার কিছু নেই। সব কৃতিত্ব তার। আমরা ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই এবং পরিস্থিতি বুঝে খেলাই আমাদের লক্ষ্য।'
অভিষেকের ঝড়ো সেঞ্চুরির পর বড় লক্ষ্য ডিফেন্ড করতে নেমে চার উইকেট নেন ইশান মালিঙ্গা। তার বোলিংয়ে ভর করে ৪৭ রানের জয় পায় হায়দরাবাদ।