তিনি নিজের কোচিং দর্শন নিয়ে কথা বলেছেন। জানিয়েছেন যাদের যা প্রয়োজন সেই অনুযায়ী সাহায্য করার চেষ্টা করছেন তিনি। বিশেষ করে তিনি ফিল সল্ট ও রোমারিও শেফার্ডের উদাহরণ টেনেছেন। কোচিংয়ের দক্ষতার সঙ্গে মানুষকে বোঝাও সমান গুরুত্বপূর্ণ সেটা জানিয়েছেন তিনি।
কার্তিক বলেন, 'আমাদের দলে খেলোয়াড়রা তাদের ক্যারিয়ারের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। প্রত্যেকেই শেখার জন্য আগ্রহী, আর আমার কাজ হলো কে কী চায় সেটা বোঝা এবং শেষ পর্যন্ত তাদের ম্যাচ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করা। তারা কোথায় ব্যাট করে এবং কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, তা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম।'
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, 'যেমন ফিল সল্টকে প্রায়ই নতুন বলে সুইং সামলাতে হয়, কিন্তু রোমারিও শেফার্ডের ক্ষেত্রে সেই পর্যায়ে সুইং খুব একটা প্রভাব ফেলে না। তাই বিষয়টা হলো তাদের এসব পরিস্থিতি বোঝাতে সাহায্য করা, কোন অবস্থানে থাকতে হবে, কী খেয়াল রাখতে হবে এবং তারপর পর্যবেক্ষণ করে প্রতিক্রিয়া দেওয়া। কোচিং যেমন দক্ষতা নিয়ে, তেমনি একজন মানুষকে বোঝার বিষয়ও।'
খেলোয়াড়ি জীবনেই ধারাভাষ্যকার হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন কার্তিক। সেই অভিজ্ঞতা কোচিংয়েও কাজে লেগেছে বলে জানিয়েছেন কার্তিক। সেই সঙ্গে যারা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলছেন তাদের বাড়তি কোনো কোচিংয়ের প্রয়োজন হয় না বলেও মনে করেন তিনি। তাদের ওপর ভরসা রাখাই যথেষ্ঠ।
কার্তিক আরও বলেন, 'এরা সবাই শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়, যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য করছে, তাই অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন নেই। সঠিক নির্দেশনা দেওয়া এবং তাদের ওপর ভরসা রাখাই আসল বিষয়। ধারাভাষ্য দেয়ার অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।'