শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি সেন্ট্রাল জোনের। ১০ রান তুলতেই প্রথম উইকেট হারিয়েছে দলটি। ইবাদত হোসেনের বলে সজোরে হাঁকাতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন (১)। নিজের পরের ওভারে নাইম শেখকেও ফেরান ইবাদত। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ার আগে আট ৮ বলে ৪ রান করেন নাইম। ১৮ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি।
সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তোলেন সাদমান এবং জিশান আলম। দুজনের জুটি থেকে আসে ৫৭ রান। এই জুটি ভাঙেন তোফায়েল আহমেদ। তার বলে খোঁচা মেরে উইকেটরক্ষক জাকের আলী অনিককে ক্যাচ দেন জিশান। ৮০ বলে ১৪ রান করেন জিশান। ৮১ রানের মধ্যে মার্শাল আইয়ুবও ফিরে যান।
৯ বলে ছয় রান করেন সেন্ট্রালের অধিনায়ক। দলীয় ১১৬ রানের মধ্যে হাফ সেঞ্চুরিয়ান সাদমানও ফিরে যান। ১১৪ বলে দশটি চারে ৫৬ রান আসে তার ব্যাটে। নাঈম হাসানের স্পিনে কাভারে হাঁকাতে গিয়ে জাকির হাসানকে ক্যাচ দেন সাদমান। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও (৯) এ দিন সুবিধা করতে না পারলে ১২৫ রানে ছয় উইকেট হারায় সেন্ট্রাল।
দলকে সেখান থেকে আবারও টেনে তোলেন শিবলি এবং আবু হায়দার রনি। দুজনের ১৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করে সেন্ট্রাল। আটটি চার ও একটি ছক্কায় ১৫১ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন শিবলি। আবু হায়দার রনির সংগ্রহ ১১০ বলে ৯০ রান। তিনি হাঁকান দশটি চার ও তিনটি ছক্কা। ইস্ট জোনের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ইবাদত এবং তোফায়েল।