এই উদযাপন হাসানের হ্যাটট্রিকের। এই উদযাপন বাংলাদেশের ম্যাচের ফেরার। প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে এদিন প্রথমবারের মতো হ্যাটট্রিকের স্বাদ পান এই পেসার। আগের দুই বলেই ইসমাত আলম ও কাইস আহমেদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন হাসান। ম্যাচ শেষে নিজের হ্যাটট্রিক নিয়ে কথা বলেছেন ব্রডকাস্টারদের সঙ্গে।
সেখানে নিজের হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব অধিনায়ক শান্ত ও উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে দিয়েছেন তিনি। তৃতীয় উইকেট নেয়ার সময় রিভিউ নিতে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন হাসান। আগের দিন বাংলাদেশ দুটি রিভিউ নষ্ট করেছিল। তবে এই ভাবনা বেশ স্বাভাবিক। তবে তাকে অভয় দিয়ে রিভিউ নেন শান্ত ও লিটন। তাতেই হ্যাটট্রিকের স্বাদ পান হাসান।
নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'বল সরাসরি প্যাডে লেগেছিল এবং একদম সোজা ছিল। তারপর আমি লিটনের সাথে কথা বলি, ও বলল— 'হ্যাঁ, এটা হয়তো উইকেটে হিট করবে, বলটা ব্যাকফুটে ছিল।' তো হ্যাঁ, আমরা রিভিউ নিলাম।'
শান্ত-লিটনদের কৃতিত্ব দিয়ে হাসান বলেন, 'খুব চমৎকার লাগছিল। কারণ আপনারা দেখেছেন প্রথম ইনিংসে আমরা দু-একটা রিভিউ হারিয়েছিলাম, তাই সবাই ডিআরএস নিয়ে ভাবছিল যে কী হতে যাচ্ছে— উইকেটে হিট করবে কি করবে না! তো হ্যাঁ, এটার কৃতিত্ব অধিনায়ক (নাজমুল হোসেন শান্ত) ও লিটন দাসকে দিতে হবে।'
হাসান পুরো ওভার জুড়েই লাইন লেন্থ ধরে বোলিং করে সাফল্য পেয়েছেন। তিনি এটাই করে যেতে চেয়েছিলেন। সামনেই ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ আছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি ম্যাচ আছে সাউথ আফ্রিকার মাটিতেও। আপাতত সেসব ম্যাচে পারফরম্যান্স করাই লক্ষ্য তার।
হাসান বলেন, 'আমি শুধু অনুভব করছিলাম যে আমার সোজা বল করা উচিত, ব্যস এটাই। বাকি কাজ নিজে থেকেই হয়ে গেছে, তাই আমি কেবল অফ স্টাম্পের লাইন ধরে বল করে গেছি এবং এটা নিজের মতো কাজ করেছে। সবসময় এভাবেই খেলে যেতে চাই। সামনে ঘরের মাঠে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ আছে, আবার সাউথ আফ্রিকায় টেস্ট ম্যাচ খেলতে যাব, তাই সেগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি।'