ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দাপটে রং হারাতে থাকে টেস্ট ক্রিকেট। সাদা পোশাকের ক্রিকেটকে বাঁচাতে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করে আইসিসি। দুই বছর মেয়াদী প্রতিটি মৌসুমে ৯টি করে দল অংশ নেয়। টুর্নামেন্ট চালু হওয়ার পর টেস্ট ক্রিকেটে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশগুলো বিগ থ্রি’র সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
প্রতিটি ম্যাচের জন্য সমান পয়েন্ট রাখায় প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব পাচ্ছে। কখনো কখনো ছোট দলের বিপক্ষে ম্যাচগুলোও বাঁচা-মরার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার পাশাপাশি শিরোপা জেতার জন্য দলগুলো প্রতিটি ম্যাচকে গুরুত্ব দিচ্ছে। টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি দর্শকদেরও আগ্রহ বাড়ছে।
পয়েন্ট কাটার নিয়মের কারণে বড় দলগুলো আরও বেশি সাবধানও হচ্ছে। পয়েন্ট কাটার নিয়মের কারণে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলো ফাইনাল খেলতে পারেনি। হেইডেন মনে করেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের একটা প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে এবং প্রতিযোগিতার একটা কাঠামো এসেছে এবং প্রতিটি ম্যাচে মানুষের আগ্রহও বেড়েছে।
উইজডেন ক্রিকেটের সঙ্গে আলাপকালে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার বলেন, ‘দেখুন— এখন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে। এটার একটা প্রাসঙ্গিকতা আছে। এটার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার একটা কাঠামো এসেছে এবং প্রতিটি ম্যাচে মানুষের আগ্রহও বেড়েছে।’
প্রতিটি ম্যাচ কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝাতে গিয়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজের উদাহরণ টেনেছেন হেইডেন। কদিন আগেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে ২৪ পয়েন্টের জায়গায় মাত্র ১২ পয়েন্ট নিতে পেরেছে তারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে পয়েন্ট খোয়ানো ভবিষ্যতে অজিদের বিপাকে ফেলতে পারেন। ভবিষ্যত সূচি দেখে অন্তত এমনটাই মনে করছেন হেইডেন।
তিনি বলেন, ‘উদাহরণ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে একটা ম্যাচে হেরেছে। এটা তাদের জন্য বড় একটা সুযোগ ছিল। এই ১২ পয়েন্ট আপনি ফেরত পাবেন না। আপনি যদি অস্ট্রেলিয়ার সামনের সূচিগুলোর দিকে তাকান তাহলে দেখবেন আগামী ৮ মাসে তাদের সাউথ আফ্রিকা, ভারত এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে হবে।’