ফক্স ক্রিকেটের ক্যামেরা খুঁজে বের করল ম্যাচ ও সিরিজের সেরা খেলোয়াড়কে। স্টার্ক তখন ব্যস্ত ছিলেন শরিফুল ইসলামের সঙ্গে গল্প করতে। তাদের দুজনের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের ও ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম। একের পর এক প্রশ্ন করে টোটকা নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন শরিফুল। অস্ট্রেলিয়ান তারকাও মন খুলে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন।
বিসিবির পাঠানো এক ভিডিওতে স্টার্কের সঙ্গে কী আলাপ হয়েছে সেটা খোলাসা করেছেন শরিফুল নিজেই। বাঁহাতি এই পেসার বলেন, ‘মূলত যখন খেলাটা শেষ হলো, তখন আমি উনাকে বললাম, ‘আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাই, আপনি কী একটু সময় দেবে?’সে বলল, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই।’
‘পরে তাকে জিজ্ঞেস করলাম কীভাবে একটা সিরিজের আগে কোন ধরনের শারীরিক ফিটনেস করে আসে বা কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে। যেহেতু উনি বলতেছিল যে উনার বয়সটাও একটু বেশি, ৩৬, উনার ভিন্ন প্রস্তুতি, আমাদের হয়তো ভিন্ন প্রস্তুতি। এসব কিছু জেনেছি। তারপরে কীভাবে মেইনটেইন করে খেলার পরে নিজেকে—এই আরকি।’
স্টার্কের মতো ম্যাকাইয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন শরিফুল। একমাত্র ইনিংসে বোলিং করে নিয়েছেন সাত উইকেট। ক্যামেরন গ্রিনকে করা ইয়র্কারে প্রশংসায় ভাসছেন বাঁহাতি এই পেসার। ম্যাচের পর সাবেক কোচদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এ ছাড়া শরিফুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের তারকা পেসার বলেন, ‘আগে যারা কোচ ছিলেন তাদের সাথে কথা হয়েছে। এমনকি সাকিব ভাই আমাকে বার্তা পাঠাচ্ছিলেন এবং বলছেন, ‘ওয়েল ডান, কংগ্রাচুলেশনস।’