সিরিজ শুরুর আগে ৭১ রেটিং নিয়ে নবম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ ব্যবধানে সিরিজ ড্র করার পর বাংলাদেশের রেটিং বেড়ে হয়েছে ৭৮। এতে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেছনে ফেলেছে তারা।
৭৬ রেটিং নিয়ে শ্রীলঙ্কা এখন সপ্তম, পাকিস্তান ৭৫ রেটিং নিয়ে অষ্টম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৪ রেটিং নিয়ে নবম স্থানে আছে। বাংলাদেশের ওপরে ৯৯ রেটিং নিয়ে পাঁচ নম্বরে রয়েছে ইংল্যান্ড।
সিরিজের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য ছিল ইতিহাস গড়ার মতো। ডারউইনে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে তাদের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের কীর্তি গড়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দুই টেস্টের সিরিজে সেটিই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র জয় হয়ে থাকলেও তাতে সিরিজের গুরুত্ব কমছে না।
ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্য পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিং। দুই ইনিংস মিলিয়ে লড়াই জমাতে না পারায় দুই দিনেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এটিই ইতিহাসে প্রথমবার, দুই দিনের মধ্যে টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ।
তবু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ ড্র করে বাংলাদেশের টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠা বড় অর্জন। তবে এই অবস্থান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও কম নয়। নিচের সারির দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের রেটিংয়ের ব্যবধান খুব বেশি নয়। ফলে পরবর্তী সিরিজগুলোর ফলের ওপরই নির্ভর করবে ছয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত দিন স্থায়ী হয়।