বাংলাদেশকে ধসিয়ে দেওয়ার পথে স্টার্ক প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২ রানে নেন ৬ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯ রানে আরও ৪টি। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার জানিয়েছেন, উইকেট থেকে পাওয়া বাড়তি সহায়তাই তাদের বোলিংকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।
স্টার্ক বলেন, 'অনেক ভালো একটা সপ্তাহ গেছে। এই সপ্তাহে নিজেদের কাছে আমরা যে প্রত্যাশা রেখেছিলাম, সেটাই পেয়েছি, বিশেষ করে বল হাতে। উইকেটটাও বল করার জন্য আমাদের সহায়তা করেছে।'
১৪৬ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই স্টার্কের তোপে পড়ে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে টানা দুই বলে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরে প্যাট কামিন্সের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ৩১ ও মুশফিকুর রহিম অপরাজিত ২৯ রানে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটা যথেষ্ট ছিল না।
লাঞ্চের পর নাথান লায়নের বলে লফটেড শট খেলতে গিয়ে ৩১ রানে আউট হন শান্ত। এরপর স্টার্কের শিকার হন লিটন দাস, আর কামিন্স ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদকে। তাইজুল ইসলামকে বোল্ড করে ম্যাচে নিজের দশম উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক। ৮২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের সামনে দাঁড়িয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত চা-বিরতির পর লায়ন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে মাত্র ৯৫ রানে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ২১০ রান করায় ১৪৬ রানের লিড পায়। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের বিজয়কে অবশ্য বেশ বড় করেই দেখছেন স্টার্ক। ডারউইনে ৯ উইকেটে জয়ের কৃতিত্ব বাংলাদেশকেই দিচ্ছেন তিনি।
স্টার্ক বলেন, 'আমরা জানতাম, ডারউইনে আমরা নিজেদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারিনি। বাংলাদেশ খুব ভালো খেলেছে। সেখানে তাদের কৃতিত্ব কোনোভাবেই খাটো করা যাবে না।'