১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। সেটিই ছিল তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরা মুহূর্ত। এরপরেও ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে হারানো, ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারত ও ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানো কিংবা ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে টেস্টে হারানোর মতো অবিস্মরণীয় মুহুর্ত এসেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
কিন্তু ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা বাংলাদেশের ক্রিকেটের আগের সব সাফল্যকে ছাপিয়ে গেছে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো। দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে স্মরণীয় জয়ের পর প্রথমবারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের স্বপ্নও দেখছে টাইগাররা।
ডারউইনের জয়ের মূল্যায়ন করতে গিয়ে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে সিমন্স বলেন, 'পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে হারিয়ে সম্মান অর্জন করেছিলাম। এখন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেই মাত্রা আরো বেড়েছে। আমরা আরও বেশি সম্মান অর্জন করেছি। আমার মনে হয় না যে আমাদের কোনো সম্মান ছিল না, আমি মনে করি আমাদের সম্মান আছে।'
'বিদেশের মাটিতে আমাদের এখনকার খেলার ধরণ দিয়ে আমরা আরেকটু বেশি সম্মান পাচ্ছি। আগে অ্যাওয়ে (বিদেশের মাটিতে) সিরিজে আমাদের পারফরম্যান্স কিছুটা নড়বড়ে ছিল, কিন্তু এখন বিদেশের মাটিতে আমাদের খেলার ধরন দেখে আমরা অনেক সম্মান পাচ্ছি। তবে এটি এখন থেকেই নয়, যখন আমরা পাকিস্তানে পাকিস্তানকে হারিয়েছিলাম তখন থেকেই শুরু হয়েছে। তাই আমরা ক্রমেই আরও বেশি সম্মান অর্জন করছি, আর এটি কেবল সেই সম্মানের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।'
এই জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৫ ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরো সুসংহত করেছে বাংলাদেশ। ৪ নম্বরে থাকা টাইগাররা মাত্র ৫.৫৫ শতাংশ পয়েন্টে পিছিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের থেকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২য় টেস্টের পর সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে ভালো করতে পারলে সুযোগ থাকবে প্রথমবারের মতো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার।