হাসান মাহমুদের নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে বেঁধে রাখে বাংলাদেশ। এরপর তানজিদের ইনিংসেই পুরো খেলার ছন্দ খুঁজে পায় বাংলাদেশ। তানজিদের করা ১৯৭ বলে ১০১ রানের ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪২৬ রানে।
তারপর ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রান তোলে বাংলাদেশ। যদিও পরাজয় এড়াতে পারেনি তারা। টাইগারদের মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য দিলে সেটি অনায়াসেই ছুঁয়ে ফেলেন সাদমান ইসলাম-মুমিনুল হকরা। প্রথম ইনিংসে তানজিদের সেঞ্চুরিতে স্বস্তি খুঁজে পেয়েছেন বাশার।
তিনি বলেন, 'স্বস্তি এই অর্থে যে আমি জানি, তানজিদ টেস্ট ম্যাচে লাল বলে ভালো করবে। আমি জানি এবং আমার বিশ্বাস ছিল। আমি ওর খেলা আগেও দেখেছি, ওর খেলার ধরনটা আমি জানি। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত ছিলাম, ও লাল বলেও ভালো করবে।'
'স্বস্তি এই জন্য বলছি যে, তানজিদ যদি ভালো না করত, তাহলে ওকে নিয়ে অনেক কথা হতো। আমি কথা শুনতে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু এটা ওর ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলত। সেটা আসলে ভালো হতো না। আমি স্বস্তি পেয়েছি এই অর্থে যে ও রান করেছে। এখন ওর জন্য ভালো হবে... মানে, ও নিজের মতো করে খেলতে পারবে।'
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে গিয়েই জিতেছে বাংলাদেশ। এই জয় অস্ট্রেলিয়ার জন্য অনেক বড় একটি বার্তা বলে মনে করছেন বাশার।
তিনি আরো বলেন, 'এটি অবশ্যই বাংলাদেশ ক্রিকেটের পক্ষ থেকে একটি বার্তা। অস্ট্রেলিয়ানরা আমাদের আবার আমন্ত্রণ করবে কি না, সেটা আমি জানি না, কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট তাদের বার্তাটা দিয়ে গেল যে, আমরা আগের বাংলাদেশ নই। এখন আমরা জিততে জানি, আমরা তোমাদের হারাতেও পারি।'