ডারউইনে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৫৩ ওভার খেলতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮ রান করতে পেরেছে তারা। হাসান মাহমুদ সেই ইনিংসে নেন ছয় উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ এবং ইবাদত হোসেন।
এরপরে আর ম্যাচেই ফিরতে পারেনি অজিরা। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ তোলে ৪২৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রান করলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রানের। এই লক্ষ্যে অনায়াসে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
নিজের টসের সিদ্ধান্তের পক্ষ নিয়ে কামিন্স বলেন, 'আমি কি সিদ্ধান্তটি নিয়ে অনুতপ্ত? সম্ভবত না। আমি সম্ভবত আবারও একই সিদ্ধান্ত নিতাম। কারণ, আপনি যদি প্রথম এক ঘণ্টা পার করে দিতে পারেন, তাহলে প্রথম ঘণ্টার পর সিম মুভমেন্টের সংখ্যাও খুব বেশি ছিল না।'
'তাই দল হিসেবে আমাদের আশা ছিল, আমরা আরও লম্বা সময় ব্যাটিং করতে পারব। টেস্টে আমরা যতক্ষণ ব্যাট করেছি, ১০০ ওভারের একটু বেশি, হয়তো ১৩০ ওভার বা এর কাছাকাছি। আমাদের আশা ছিল, এরপর আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ করব, যাতে চতুর্থ দিনের শেষ ভাগে কিংবা পঞ্চম দিনের এমন উইকেটে বোলিং করতে পারি, যেখানে বল ঘুরতে শুরু করবে এবং বোলারদের জন্য সহায়ক হবে।'
টেস্টে বাংলাদেশের শক্তিমত্তার প্রশংসাও করেছেন কামিন্স। এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে আগে না খেলার আফসোসও ঝড়ে উঠে তার কণ্ঠে।
কামিন্স আরো বলেন, 'আমি বলব না যে প্রতিটি টেস্ট ম্যাচেই আপনি যখন নামেন, তখন সবকিছু নির্দিষ্টভাবে একভাবে হবে। মাঝে মাঝে আপনাকে বলা হয়, ম্যাচটা এভাবে এগোবে, কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে আমরা জানি, সব সময় তা হয় না। বাংলাদেশ খুব ভালো দল।'
'টেস্টে তাদের বিপক্ষে খুব বেশি খেলিনি, তবে ওয়ানডেতে অনেক খেলেছি, সাম্প্রতিক সময়েও খেলেছি। তাদের বেশ কয়েকজন মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে। তাই কোনোভাবেই এটা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফল নয়। আমরা নিজেদের জন্য যে মানদণ্ড ঠিক করেছি, সেটা এই সপ্তাহে আমরা যে ক্রিকেট খেলেছি, তার চেয়ে অনেক উঁচু।'