টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দায়ান গালিমের লেংথ ডেলিভারিতে বড় শট খেলার চেষ্টায় টপ এজ হয়ে থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়েছেন জাকির হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে মাহফিজুল ইসলাম রবিন ও শাহদাত হোসেন দিপু মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। যদিও তাদের দুজনের জুটি বড় হতে দেননি গালিম। ডানহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন দিপু।
১৬ বলে ৮ রানের বেশি করতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটার। বায়ান্দা মাজোলার লাফিয়ে ওঠা বলে স্লিপে ক্যাচ দেন ইফতিখার হোসেন। লম্বা সময় উইকেটে টিকে থাকলেও রান বের করতে পারছিলেন না মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। চাপে পড়ে ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার আউট হয়েছেন ২৮ বলে মাত্র ২ রান করে। স্পিনার কালেব সেলেকার বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন। জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মাহফিজুল।
তাদের দুজনের জুটিও খুব বেশি বড় হয়নি। আন্দিলে মোগাকানের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন বিপ্লব। ১১ রান করেছেন তিনি। পরের বলে আউট হয়েছেন মইন খানও। ডানহাতি পেসারের লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারিতে এজ হয়ে ক্যাচ দিয়েছেন স্লিপে। সবার আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মাহফিজুল। তবে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি ডানহাতি ওপেনারের। গালিমের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করেছিলেন তিনি। তবে টপ এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে হয়েছে তাকে।
মাহফিজুল দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন বল কনুইয়ের কাছাকাছি লেগেছে। তবে গ্লাভসে লেগেছে এমন ভাবনা থেকে ৭৩ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলা ডানহাতি ওপেনারকে আউট ঘোষণা করেন আম্পায়ার। শেষের দিকে আর কেউই সুবিধা করতে পারেননি। শেষ ব্যাটার হিসেবে রাতুল ফিরলে ৮৯ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। মাত্র ১৮ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছেন গালিম, আন্দিলে পেয়েছেন দুইটি উইকেট।