যত তাড়াতাড়ি দেশে ফিরতে পারব আমার জন্য ততই ভালো: সাকিব

বাংলাদেশ ক্রিকেট
ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান
ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান
ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট
কদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন সাকিব আল হাসান। ফুটবল বিশ্বকাপ দেখেছেন, খেলেছেন মেজর লিগ ক্রিকেটেও (এমএলসি)। এমআই নিউইয়র্কের হয়ে কয়েকটি ম্যাচ খেলেই শ্রীলঙ্কার বিমান ধরেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) চলতি আসরে দলের সবচেয়ে বড় তারকা হিসেবে ব্যাটে-বলে পারফর্ম করছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার পর সাকিবের গন্তব্য হতে পারে নেপাল।

দেশটির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশের সাবেক অলরাউন্ডার খেলবেন পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে। বাংলাদেশের আশেপাশে লিগ খেলে বেড়ালেও দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের। ২০২৪ সালের জুলাই থেকেই দেশের বাইরে আছেন তিনি। পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফিরতে দুবাই পর্যন্ত চলে এসেছিলেন। তবে সরকারের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় যুক্তরাষ্ট্র।

কবে নাগাদ ফিরবেন সেটার নিশ্চয়তাও দিতে পারছেন না বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, দ্রুতই ফিরতে পারেন তিনি। অনেকের ধারণা, ডিসেম্বরেই বাংলাদেশের বিমান ধরতে পারেন সাকিব। যদিও এমন কিছুর নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। তবে তিনি মনে করেন, যত তাড়াতাড়ি ফিরতে পারবেন তার জন্য ততই ভালো।

ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে একান্ত আলাপে সাকিব বলেন, ‘জানি না, আমি নিউজ অত শুনি না। সুতরাং আমার পক্ষে বলা মুশকিল। কিন্তু আশা করি তাড়াতাড়ি। তাড়াতাড়ি হলে পরের মাসও হতে পারে, তারপরের মাসেও হতে পারে, ডিসেম্বরে হতে পারে, নভেম্বরে হতে পারে! (হাসি) কিন্তু যত তাড়াতাড়ি হয়, ততই ভালো আমার জন্য ভালো।’

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ছাড়লেও টেস্ট এবং ওয়ানডে থেকে অবসর নেননি সাকিব। যদিও তারকা একবার দাবি করেছিলেন, এখনো কোনো ফরম্যাট থেকেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি। বাংলাদেশের জার্সিতে শেষ টেস্ট খেলতে দেশে ফেরার কথা ছিল তার। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে সেই পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। তবে সরকারের অনুমোদন মেলেনি সাকিবের।

দেশে ফিরতে না পারলেও তারকা অলরাউন্ডার এখনো স্বপ্ন দেখেন দেশের মাটিতে অর্থাৎ মিরপুরে শেষ ম্যাচটা খেলবেন। তেমন কিছুর আয়োজন করা গেলে সেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় কিছু হবে বলে মনে করেন তিনি। সাকিব বলেন, ‘যদি আমার এরকম হয়, তাহলে অবশ্যই সেটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের স্পোর্টসের ইতিহাসে, এটা আমি জানি। এটাতে কোনো আমার সন্দেহ নাই।’

দুই বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলা হচ্ছে না সাকিবের। ২০২৭ সালে সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হবে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। আইসিসির সেই টুর্নামেন্টে খেলার স্বপ্ন দেখেন সাকিব নিজেও। যদিও তারকা অলরাউন্ডার মনে করেন, নিজের খেলতে চাওয়ার চেয়ে দলে তার প্রয়োজন আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অধিনায়ক ও নির্বাচকরা সেই উত্তর দিতে পারে বলে জানান সাকিব।

তিনি বলেন, ‘আমি খেলতে চাওয়ার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশি বাংলাদেশ দলে আমার দরকার আছে কিনা। এটা নির্বাচক, অধিনায়ক ভালো বুঝবে। তারা যদি মনে করি (প্রয়োজন আছে) তখন তারা চিন্তা করতে পারে। কিন্তু এগুলো অনেক পরের বিষয়।’

আরো পড়ুন: