চিঠিতে মূলত দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিসিবি। বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং এর ফলে সাম্প্রতিক বিরোধ কমানোর ইঙ্গিত মিলছে, যা দুই বোর্ডকে প্রায় প্রাতিষ্ঠানিক অচলাবস্থায় ঠেলে দিয়েছিল।
চলতি বছরের শুরুতে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর বাংলাদেশও ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়। শুরুতে বাংলাদেশ ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেয়ার দাবি জানায়।
এরপর আইসিসি বাংলাদেশের সেই দাবি নাকচ করে দেয়। শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের বদলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে স্কটল্যান্ড। চলতি বছরি বাংলাদেশের মাটিতে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলার কথা ছিল ভারতের। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত এই সিরিজে ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল দুই দলের।
দুই বোর্ডের জন্যই এখানে বড় আর্থিক স্বার্থ জড়িত। যদিও বিসিসিআই অনির্দিষ্টকালের জন্য সিরিজটি স্থগিত করে। ২০২৭ সালের সম্ভাবনা সামনে রেখে বিসিবি নতুন করে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছে। ফলে এই সফর আবার আলোচনায় ফিরতে পারে। তবে ভেন্যু এখনো বিতর্কের একটি বড় বিষয়।
এ ছাড়া আগামী বছরের এশিয়া কাপ আয়োজনের স্বত্বও বাংলাদেশের হাতে রয়েছে। বিসিবি সমঝোতার বার্তা দিলেও বিসিসিআই এখনো নীরব অবস্থানে রয়েছে। জানা গেছে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরায় শুরু করা কিংবা সফরের ভেন্যু চূড়ান্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।