জিম্বাবুয়ের কাছে হারের ‘প্রতিশোধ’ নিতে চান এলিস

জিম্বাবুয়ে-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
নাথান এলিস, ফাইল ছবি
নাথান এলিস, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার। সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় হতে যাওয়া সেই বিশ্বকাপের আগে এই তিন দেশে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার আফ্রিকা সফর। সিরিজে নিজের জায়গা পাকা করার পাশাপাশি সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের কাছে হারের প্রতিশোধ নিতেও মরিয়া পেসার নাথান এলিসও।

হারারেতে ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। পরের দুই ম্যাচ ১৮ ও ২০ সেপ্টেম্বর। এরপর সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আরও তিনটি ওয়ানডে খেলবে অস্ট্রেলিয়া।। অর্থাৎ বিশ্বকাপের আয়োজক দুই দেশে টানা ছয়টি ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাচ্ছে তারা।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির পাশাপাশি এই ছয় ম্যাচকে নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছেন এলিস। এ নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দল হিসেবে আমাদের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং এখান থেকে যতটা সম্ভব কাজে লাগাতে হবে। কী কাজ করছে, কী করছে না-সেগুলো বুঝতে হবে। আগামী বছরের বিশ্বকাপের জন্য এটি দারুণ একটি মঞ্চ এবং প্রস্তুতির জন্য বড় সুযোগ। ছয় ম্যাচ থেকে যত বেশি সম্ভব তথ্য নিয়ে সেগুলো একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে।’

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার দলে থাকতে পারেননি এলিস। তবে এরপর সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ৩১ বছর বয়সী এই পেসার। গতির বৈচিত্র্য, নতুন বলে কার্যকর বোলিং এবং ডেথ ওভারে উইকেট নেওয়ার সক্ষমতা তাকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্পে পরিণত করেছে। এবার তাই ২০২৭ বিশ্বকাপের দলে জায়গা নিশ্চিত করাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজটিও এলিসের কাছে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের কাছে ২৩ রানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই হারের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে এলিস বলেন, ‘আমরা তাদের বিপক্ষে বেশ কয়েকবার খেলেছি এবং বলা যায়, একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারাই আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে। তাই কিছুটা প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি আগামী এক বছরের মধ্যে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও শুরু করতে চাই।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার ১৭ সদস্যের দলে ফিরেছেন মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। জিম্বাবুয়ে সিরিজে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক থাকছেন না; তারা সাউথ আফ্রিকা পর্বে যোগ দেবেন। জশ হ্যাজলউড, অ্যাডাম জাম্পা ও ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে দলে আছেন তরুণ কুপার কনোলি, জোয়েল ডেভিস ও অলিভার পিক। অন্যদিকে বিশ্বকাপজয়ী মার্নাস লাবুশেনকে দলে রাখা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে দল: মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্স (শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ), জাভিয়ের বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, জোয়েল ডেভিস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, অলিভার পিক, ম্যাথিউ রেনশ, বিলি স্ট্যানলেক, মিচেল স্টার্ক (শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ) ও অ্যাডাম জাম্পা।

আরো পড়ুন: