এজবাস্টনে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরেন বেন ডাকেট। আব্বাসের লেংথ ডেলিভারিতে এজ হয়ে উইকেটকিপার গাজী ঘুরিকে ক্যাচ দিয়েছেন ইংলিশ ওপেনার। একই ওভারে আউট হয়েছেন এমিলিও গে। বাঁহাতি ব্যাটারকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন আব্বাস।
প্রথম ওভারে দুই উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন ডানহাতি এই পেসার। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ডের হাল ধরেন রুট ও কক্স। দুজনে মিলে স্বাগতিকদের এগিয়ে নিতে থাকেন। প্রথম ঘণ্টার বাকিটা সময় অনায়াসে কাটিয়েছেন তারা দুজন। পরবর্তী সময়ে ইংলিশ ব্যাটারদের সেভাবে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি পাকিস্তানের পেসাররা।
মোহাম্মদ ইমরানকে চার মেরে ৫৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন রুট। তাকে সঙ্গ দেওয়া কক্সও পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। ৬৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটার। দুজনের পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে ম্যাচ জিততে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি তাদের। ৮ উইকেটে জয়ের দিনে কক্স ৫৯ ও রুট অপরাজিত ছিলেন ৬২ রানে। তারা দুজনে মিলে ১২৮ রানের জুটি গড়েন।
সকালের শুরুতে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট নেওয়ায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানান বাবর আজম। ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের অধিনায়ক বলেন, ‘হ্যাঁ, প্রথম ওভারে আমরা দুই উইকেট নিয়েছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় যেভাবে রুট ও কক্স ব্যাটিং করেছে, তারা দুজনই খুব ভালো ব্যাটিং করেছে।’