সাম্প্রতিক সময়ে সাদা বলের ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন মিশারা। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ১০ ম্যাচে ৪১১ রান করেছেন তিনি। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেও তার ব্যাটে এসেছে ৭২ বলে ১৪৫ রানের ইনিংস। লাল বলের ক্রিকেটেও ভালো ফর্মে ছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এপ্রিলে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের হয়ে নিউজিল্যান্ড ‘এ’-এর বিপক্ষে ১৬৮ বলে ১৭৪ রান করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় টেস্টে লাহিরু উদারার সঙ্গে ওপেন করতে দেখা যেতে পারে তাকে।
আরাচ্চিগের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও তাকে দলে জায়গা করে দিয়েছে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ১০ ইনিংসে ২৪০ রান করার পাশাপাশি গত সপ্তাহে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ২৭ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন তিনি। ডানহাতি অফস্পিনও করতে পারেন এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৮৫ ম্যাচে তার শিকার ৬৩ উইকেট, পাশাপাশি রান করেছেন ৪ হাজার ৩৬৫।
চান্দিমালের জায়গা পূরণে আরাচ্চিগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন প্রথম টেস্টে অভিষেক হওয়া পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা। কনকাশন বদলি হিসেবে সুযোগ পাওয়া এই ব্যাটারের প্রথম টেস্ট অবশ্য ভালো যায়নি। প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন তিনি। তবে ২০১৮ সালে অভিষেকের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫৩.৭৬ গড়ে ৪ হাজার ৮৯৩ রান করেছেন সুরিয়াবান্দারা।
বোলিং আক্রমণেও বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে নজর কেড়েছেন কেশারা নুয়ান্থা। ফলে প্রবাথ জয়াসুরিয়ার সঙ্গে স্পিন আক্রমণে তাকে আবারও দেখা যেতে পারে। লাহিরু কুমারা প্রথম টেস্টে চোট ছাড়াই শেষ করলেও মাত্র ১৮ ওভার বোলিং করেছেন। তার জায়গায় ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে মিলান রাথনায়েকাকে খেলানোর কথাও ভাবতে পারে শ্রীলঙ্কা।
এদিকে সিরিজের বাকি সময়েও দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারকে পাচ্ছে না শ্রীলঙ্কা। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পাওয়ার পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে নেই কুশল মেন্ডিস। আর জুনে কবজির অস্ত্রোপচার করানো পাথুম নিসাঙ্কাও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি।