বাংলাদেশ সিরিজের আগে নিজেকে বদলে ফেলেছেন ওয়েদারল্ড

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ
জ্যাক ওয়েদারল্ড
জ্যাক ওয়েদারল্ড
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ডারউইনে এই সপ্তাহে যেদিকেই তাকাবেন, দেখা মিলতে পারে জেক ওয়েদারল্ডের! তবে আসল ওয়েদারল্ডকে চেনার উপায় অবশ্য খুব সহজ। মাথা কামানো, কানে গোলাকার দুল, ডান হাতে পুরোটা জুড়ে ট্যাটু আর হাঁটার নিজস্ব ভঙ্গি। সব মিলিয়ে ওয়েদারল্ডকে আলাদা করে চেনা যায় খুব সহজেই।

ডারউইনের এই সন্তানকে সম্মান জানাতে এবার তার বন্ধুবান্ধব ও স্থানীয় সমর্থকেরা তার মতো সাজবেন। মাথায় নকল টাক, মুখে দাড়ি আর হাতে নকল ট্যাটু এঁকে ওয়েদারল্ডের অবিকল রূপ ধারণ করবেন তারা। এমনকি সোমবার সংবাদ সম্মেলনেও দুজন ওয়েদারাল্ড সেজে এসে প্রশ্ন করেছেন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্ট শুরু বৃহস্পতিবার।

সিরিজ শুরুর আগে নিজেকে বদলে ফেলতে চাইছেন এই অজি ওপেনার। তিনি নিজের পরিবর্তন নিয়ে বলেছেন, ‘কিছুটা পরিবর্তন করেছি। আশা করি, সেটা কারও চোখে পড়বে। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমি পুরোপুরি বদলে গেছি। কিন্তু সবাই বলছে, আসলে খুব বেশি বদলাইনি। সেটাই অবশ্য আমি চেয়েছিলাম। খুব বড় কোনো পরিবর্তন করতে চাইনি।’

অ্যাশেজের পর নিজের ব্যাটিং নিয়ে নতুন করে কাজ করেছেন ওয়েদারাল্ড। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের শক্তির জায়গাগুলো বোঝার পাশাপাশি কোথায় উন্নতি করা যায়, সেটিও খুঁজেছেন তিনি। যা যা অনুশীলনে ঠিক করেছেন তা মাঠে প্রয়োগ করতে মুখিয়ে আছেন ওয়েদারল্ড।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে চেয়েছি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আমি আসলে কী ভালো করি এবং কোথায় উন্নতি করা সম্ভব। অ্যাশেজে কী ভালো করেছি, সেটিও দেখেছি। এরপর সামান্য কিছু পরিবর্তন করে কীভাবে আরও ভালো পরিকল্পনা করা যায়, সেটি নিয়ে কাজ করেছি। আমার মনে হয়, সেটা করতে পেরেছি। এখন মাঠে গিয়ে সেটা দেখানোর জন্য আমি মুখিয়ে আছি।’

সোমবার মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের বিপক্ষে অনুশীলনেও ওয়েদারল্ডের ব্যাটিংয়ে পরিবর্তনটি চোখে পড়েছে। তাকে আগের চেয়ে কিছুটা সোজা হয়ে দাঁড়াতে দেখা গেছে। এর মাধ্যমে ২০১৮ সালের বিগ ব্যাশ লিগের ফাইনালে যে ব্যাটিং ভঙ্গিতে জোফরা আর্চারকে দারুণ সব শট খেলেছিলেন, সেই স্টান্সেই ফিরতে চাইছেন তিনি।

খেলতে খেলতেই নিজের ট্যাকনিক নিয়ে কাজ করতে পেরে আনন্দিত এই অজি ব্যাটার। তিনি যোগ করেন, ‘খেলতে খেলতেই টেকনিকের কিছু বিষয় কাজে লাগানোর ভালো সুযোগ পেয়েছিলাম। সেখানকার কন্ডিশনও টেকনিক উন্নত করার জন্য খুব উপযোগী ছিল। বলকে আরও সোজা রেখে স্টাম্পে আঘাত করার বিষয়টি নিয়ে অনেক কাজ করেছি। আমার জন্য এটি দারুণ শেখার অভিজ্ঞতা ছিল।’

আরো পড়ুন: