বিশ্ব ক্রিকেটের অর্থনৈতিক কেন্দ্র এখন ভারত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় অংশের পৃষ্ঠপোষকতা আসে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে। সেই বাস্তবতায় ভারতের দর্শক ও বাজারকে ঘিরে নতুন পরিকল্পনা করছে সিএ। জনপ্রিয় এই দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ভারতের মাটিতে আয়োজন করা গেলে বাণিজ্যিক দিক থেকেও বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে তারা।
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ বলেন, ‘ভারতে এই সিরিজের এক বা দুটি ম্যাচ আয়োজন করা যায় কি না, তা আমরা বিবেচনা করছি। পরিচালনা পর্ষদের সম্মতি পেলে বিষয়টি নিয়ে আরও এগোব। এখন এটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ঐতিহ্যবাহী এই লড়াইকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়া।’
তবে অদূর ভবিষ্যতে এমন আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। ২০২৭ সালের আগে বিষয়টি বাস্তবায়নের সুযোগও দেখছে না অস্ট্রেলিয়া। গ্রিনবার্গ বলেন, ‘আমরা সব সম্ভাবনাই খোলা রাখতে চাই। ইংল্যান্ড ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। এখনই কিছু হচ্ছে না, তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় এই সম্ভাবনাও থাকবে।’
এমন আয়োজনের জন্য অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সম্মতি প্রয়োজন হবে বলেও জানিয়েছেন গ্রিনবার্গ। তার ভাষ্য, ‘আমাদের, ইংল্যান্ড এবং ভারতের লাল বলের ক্রিকেট এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তাই এই সংস্করণের প্রচার ও প্রসার অব্যাহত রাখা জরুরি। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সময়। বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যেই সব প্রতিযোগিতা সামলাতে হয়।’
গ্রিনবার্গের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বিস্তারের কারণে লাল বলের ক্রিকেটকে টিকিয়ে রাখতে নতুন উদ্যোগ নেয়া দরকার। তার বিশ্বাস, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের সিরিজ আয়োজন করা গেলে তিন দেশই আর্থিকভাবে লাভবান হবে, পাশাপাশি লাল বলের ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাও আরও বাড়বে।