টি-টোয়েন্টির বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ পিছিয়ে ১৩ নম্বরে নেমে গেছেন নাসুম আহমেদ। ৪ ধাপ এগিয়ে ১৯ নম্বরে উঠেছেন শেখ মেহেদী। ৮ ধাপ পিছিয়ে ২৩ নম্বরে নেমে গেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। মূলত চোটের কারণে তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি খেলতে পারেননি। এর প্রভাব পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। ৮ ধাপ এগিয়েছেন রিশাদ হোসেন। তিনি আছেন ২৬ নম্বরে। সেরা পঞ্চাশে আর কোনো বোলার নেই বাংলাদেশের।
এদিকে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে জায়গা করে নিচ্ছেন তারকা ইংলিশ ব্যাটার জো রুট। ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে ব্যাট হাতে দারুণ ফর্মে ছিলেন রুট। তিন ম্যাচে যথাক্রমে ৭৬, ৯৯ ও ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। আর তাতেই ৪ ধাপ এগিয়ে ৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে চার নম্বরে নিজের অবস্থা ধরে রেখেছেন রোহিত শর্মা। লর্ডসে তিনি ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছেন। ২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন রুট।
এই ইংলিশ ব্যাটার ৯৬.৮৮ স্টাইক রেখে ২৪৯ রান করেছেন। ইংলিশ ব্যাটারদের মধ্যে আরও বেশ কয়েকজন দারুণ উন্নতি করেছেন। এর মধ্যে ইংলিশ ওপেনার বেন ডাকেট ১১ ধাপ উন্নতি করেছেন। ১৪১ রান করেছেন লর্ডসে যা ছেলেদের ওয়ানডেতে এটাই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এদিকে নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল ১ নম্বরে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। দুই, তিন ও চার নম্বরে আছেন যথাক্রমে শুভমান গিল, বিরাট কোহলি ও রোহিত।
মিচেলের চেয়ে মাত্র এক রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে আছেন গিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৮ রান করে সিরিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। কোহলি ১৪৪ রান করেছেন দুই হাফ সেঞ্চুরিতে। এদিকে সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন আফগানিস্তানের ব্যাটার ইব্রাহীম জাদরান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। বাঁহাতি স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও গুড়াকেশ মোতি নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। তৃতীয় এবং চতুর্থ ওয়ানডেতে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর তাতেই তিন ধাপ উন্নতি করেছেন তিনি। মোতি চতুর্থ ওয়ানডেতে ৪৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে সাত ধাপ উন্নতি করেছেন।
রশিদ খান শীর্ষস্থানে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। পাকিস্তানের আবরার আহমেদ দুই নম্বরে আছেন তিন নম্বরে জোফরা আর্চার। আর চারে যৌথভাবে আছেন স্যান্টনার ও কেশভ মহারাজ। মিচেল ব্রেসওয়েলও উন্নতি করেছেন অলরাউন্ডারদের তালিকায়। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবিকে পেছনে ফেলে তিন নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। শীর্ষে আছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। আর দুই নম্বরে আছেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ।