নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে চলে গেছেন। জাতীয় দলের হয়ে এখন তিনি খেলেন বেছে বেছে। ভবিষ্যৎ সফরসূচিও এখনও চূড়ান্ত নয়। ফলে নিউজিল্যান্ড আবার কবে ইংল্যান্ড সফরে যাবে, তা নিশ্চিত নয়। সব মিলিয়ে লর্ডসে তার টেস্ট অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার আভাস স্পষ্ট।
উইলিয়ামসন নিজেও এমনটা স্বীকার করেছেন, 'এটা সবসময়ই বিশেষ একটি টেস্ট। দীর্ঘ খেলোয়াড়ি জীবনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, লর্ডসে খেলার সুযোগ হাতে গোনা কয়েকবারই আসে। তাই প্রতিটি সুযোগই আলাদা গুরুত্ব বহন করে।'
লর্ডসের ঐতিহ্য ও পরিবেশই তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে বলে জানিয়েছেন তিনি। উইলিয়ামসনের ভাষায়, 'তারা যেভাবে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে, সেটাই এই মাঠের নিজস্বতা। এর ইতিহাস, পরিবেশ এবং পুরো আয়োজন অন্য মাঠগুলোর থেকে আলাদা অনুভূতি দেয়।'
২০১২ সালে প্রথমবার এই মাঠে খেলেছিলেন উইলিয়ামসন। এরপর বিভিন্ন সময়ে এখানে খেলেছেন কাউন্টি ক্রিকেটও। গত মৌসুমে তো লর্ডসকে প্রায় নিজের ঘরের মাঠ হিসেবেই পেয়েছিলেন। তবে তার মতে, প্রথমবার এখানে এলে যে অনুভূতি তৈরি হয়, সেটিই সবচেয়ে স্মরণীয়।
তিনি বলেন, 'মাঠে প্রবেশের পথ, চারপাশের পরিবেশ, দুপুরের খাবার- সবকিছু মিলিয়ে এখানে অভিজ্ঞতাটা অসাধারণ। প্রথমবার এলে প্রত্যেকেই সেই বিশেষত্ব অনুভব করতে পারে।'
লর্ডসে তার পরিসংখ্যান খুব উজ্জ্বল নয়। চারটি টেস্টে তার ব্যাটিং গড় ৩২। তবে ২০১৫ সালে এখানেই শতক করে সম্মানসূচক ফলকে নাম তুলেছিলেন তিনি। সেই স্মৃতি এখনও তার কাছে বিশেষ হয়ে আছে। উইলিয়ামসন বলেন, 'ওটা ছিল অসাধারণ একটি ম্যাচ। আমরা হেরে গেলেও ম্যাচটি ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, আর সেই শতক আমার কাছে এখনও স্মরণীয়।'
সেই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, 'একসময় আকাশ মেঘলা হয়ে গেল, আলো জ্বলে উঠল এবং হঠাৎ করেই ব্যাটিং অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। ইংল্যান্ডের পরিবেশে এমন পরিবর্তন ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই অভিজ্ঞতা এখনও মনে গেঁথে আছে।'