এলপিএল থেকে ছিটকে গেলেন হাসানের অধিনায়ক

এলপিএল
কুশল মেন্ডিস, ফাইল ফটো
কুশল মেন্ডিস, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) বাকি অংশ থেকে ছিটকে গেছেন কলম্বো ক্যাপসের অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। এই দলেই খেলছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। টুর্নামেন্টের শুরুতেই অধিনায়ককে হারিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে কলম্বো।

গত ১৯ জুলাই কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস কমপ্লেক্স (এসএসসি) মাঠে ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে রান নেওয়ার সময় ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান শ্রীলঙ্কার এই উইকেটকিপার ব্যাটার। চোট পাওয়ার পর ইনিংস শেষ করতে না পেরে অবসর নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে।

গল গ্যালান্টসের বিপক্ষে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল কলম্বোর। কিন্তু পরের ম্যাচেই ক্যান্ডির বিপক্ষে ছয় উইকেটের জয়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। তিন উইকেট নিয়ে সেই জয়ে বড় অবদান রাখেন হাসান। এর আগে প্রথম ম্যাচেও হাসান নিয়েছিলেন দুই উইকেট।

প্রথম ম্যাচে দল হারলেও গলের বিপক্ষে ৭৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন কুশল। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ বলে ২ রান করে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটার। তখনই রান নিতে গিয়ে চোট পান তিনি। সেই ম্যাচে আর মাঠে নামা হয়নি তার।

কুশলের এই চোট শুধু কলম্বোর জন্যই নয়, শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের জন্যও বড় ধাক্কা। আগামী ১৫ আগস্ট থেকে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের ঘরের মাঠের টেস্ট সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা। সব সংস্করণেই দলের অন্যতম ভরসা মেন্ডিসকে ওই সিরিজে উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল। তবে এই চোটের কারণে তিনি কতদিন মাঠের বাইরে থাকবেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

মেন্ডিসের জন্য সময়টা আরও দুর্ভাগ্যজনক, কারণ তিনি ছিলেন দারুণ ফর্মে। এর আগে চলতি মৌসুমের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ১১ ইনিংসে ৫৫০ রান করেন মেন্ডিস। সেখানে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৮.১৯। জাতীয় দলের হয়েও ২০২৬ সালে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। বছরের শুরু থেকে ১৪ ইনিংসে করেছেন ৪০৮ রান, স্ট্রাইক রেট ১৩০.৩৫। আর চলতি বছরে চারটি ওয়ানডেতে তাঁর সংগ্রহ ২১১ রান, গড় ৭০.৩৩।

চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, এলপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে আর খেলতে পারবেন না তিনি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) জানিয়েছে, ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে উঠতে এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করবেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। এ লক্ষ্যে তিনি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের ন্যাশনাল হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে ফিরবেন। সেখানে চিকিৎসক ও মেডিকেল স্টাফদের তত্ত্বাবধানে তাঁর পুনর্বাসন কার্যক্রম চলবে।

আরো পড়ুন: