২০২২ সালে আইপিএলে নতুন দুটি দল যুক্ত করে ১০ দলের টুর্নামেন্ট সাজানো হয়। সেই অনুযায়ী আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বেড়ে হওয়ার কথা ছিল ৯০টি। যদিও সেটা হয়নি এখনও। গ্রুপ পর্বে খেলা হয় মোটে ৭৪টি। এমনকি প্রতিটি দল এখনও হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে একে অপরের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পায় না। অন্তত ২০টি ম্যাচ কম হচ্ছে আইপিএলে প্রতিবছর। এমনটাই জানিয়েছেন মোদি।
সম্প্রতি স্পোর্টস্টারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচ থেকে বিসিসিআই ৫০ শতাংশ পায় এবং বাকি ৫০ শতাংশ দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়। ফলে এখন দলগুলো ২০টি ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা যে ফি দিচ্ছে, তার বিনিময়ে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ম্যাচ দেওয়া একটি চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ফরম্যাটেই আসল মূল্য রয়েছে। ক্যালেন্ডারে জায়গা না থাকলে দলের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। বিষয়টি এতটাই সহজ। আমরা যা বিক্রি করেছি, এটি তা নয়। সবাই কি এতে সম্মতি দিয়েছে? আমি নিশ্চিত, দেয়নি। কেন তারা হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে খেলছে না? নানা অজুহাত আছে, কিন্তু এটি একটি চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা এবং দলগুলোর জন্য এটি একটি বাণিজ্যিক লেনদেন।’
মোদির বিশ্বাস, ম্যাচের সংখ্যা কমে যাওয়ায় সরাসরি প্রভাব পড়ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং পুরো লিগের মূল্যমানের ওপর। এর প্রেক্ষিতে আর্থিক হিসেবও তুলে ধরেছেন তিনি। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলা হলে প্রতি দল ১২০ কোটি রুপি করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পেত বলেও ধারণা মোদির।
তিনি বলেন, ‘যদি এখন হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ৯৪টি ম্যাচ হতো এবং প্রতিটি ম্যাচের মূল্য ১১৮ কোটি রুপি ধরা হয়, তাহলে শুধু মিডিয়া স্বত্ব থেকেই অতিরিক্ত ২,৪০০ কোটি রুপি আয় হতো। এটি বিসিসিআইয়ের জন্য অতিরিক্ত ২,৪০০ কোটি রুপির রাজস্ব। এর মধ্যে ১,২০০ কোটি রুপি যেত ১০টি দলের কাছে, অর্থাৎ প্রতিটি দল পেত ১২০ কোটি রুপি করে। এতে দলগুলোর মূল্যমানও স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি হতো।’