এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। তার মতে, প্রতিযোগিতার সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ খুব সীমিত। বছরের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পুরো আয়োজন শেষ করতে হয়, ফলে ২০২৭ সালের মধ্যে বাড়তি ম্যাচ যোগ করা সহজ নয়।
তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে মার্চের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্তই সময় পাওয়া যায়। তার পর বর্ষা শুরু হয়ে যায়, ফলে সময় বাড়ানো সম্ভব নয়। ম্যাচ সংখ্যা ৯৪ করতে হলে দিনে দু’টি করে ম্যাচের সংখ্যা বাড়াতে হবে, যা সম্প্রচারের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে।'
ধুমল স্পষ্ট করেন, 'এই সব দিক বিবেচনা করেই এখনই পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। অন্তত ২০২৭ সালের আগে প্রতিযোগিতার আকার বাড়ানোর সম্ভাবনা কম।'
২০২৭ সাল থেকে নতুন চক্র শুরু হলে বাড়তে পারে আইপিএল ম্যাচসংখ্যা। সেক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে আরো কমে যেতে পারে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতেই ম্যাচ বাড়াতে পারে আইপিএল আয়োজকরা।
ধুমল বলেন, '২০২৭ সাল থেকে নতুন চক্র শুরু হলে আমরা বুঝতে পারব কত গুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ় কমাতে পারব। তা হলে কিছুটা জায়গা পাওয়া যাবে। এখনই দলের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে না। তবে দলের সংখ্যা ভবিষ্যতে বাড়তে পারে। এখন সব দল সব দলের বিরুদ্ধে দুটো করে ম্যাচ খেলে না। প্রতিটা দল হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেললেই ম্যাচের সংখ্যা বাড়বে।'
বিশ্বজুড়ে ছোট ফরম্যাটের লিগগুলোর জনপ্রিয়তাও এই ভাবনার পিছনে বড় কারণ। ধুমলের কথায়, 'অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়, সংযুক্ত আরব আমিরাত- সব দেশেই লিগ হচ্ছে। অনেক দেশ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। তাতে তারাও সময় পাচ্ছে। আমরাও আলোচনা করছি। দেখা যাক, কী হয়।'
সবশেষে তিনি জানান, 'পরবর্তী সূচি তৈরির আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এই প্রতিযোগিতার প্রভাব এখন বিশ্ব ক্রিকেটে স্পষ্ট, তাই সেটিকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনাই চলছে।'