তাদের টপকে সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন রিশাদই। বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়ে প্রথম মৌসুমেই নজর কেড়েছেন তিনি। হারিকেন্সের হয়ে খেলতে নেমে পুরো মৌসুমে ১৫টি উইকেট নিয়েছেন রিশাদ, যা ছিল দলের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রথমবার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে।
ইনিংসের শুরুতেই রিশাদকে বোলিংয়ে আনা হতো, মাঝের ওভারগুলোতে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ২৬ রান খরচায় তিন উইকেটে ছিল তার সেরা বোলিং। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কোচ-অধিনায়কদের প্রত্যাশার প্রতিদান দিয়েছেন বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনার।
ক্রিকেট তাসমানিয়ার মৌসুমসেরা পারফরমারদের স্বীকৃতি দিতে বিভিন্ন ফরম্যাটভিত্তিক পদক প্রদান করা হয়। বিগ ব্যাশে পুরো মৌসুমে সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেটার পান বিবিএল প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার, আর উইমেন্স বিগ ব্যাশে সেরা নারী ক্রিকেটারকে দেওয়া হয় ডব্লিউবিবিএল প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার।
ঘরোয়া চার দিনের ক্রিকেট শেফিল্ড শিল্ডে তাসমানিয়ার সেরা খেলোয়াড়কে সম্মান জানাতে দেওয়া হয় ডেভিড বুন মেডেল। একইভাবে ওয়ান ডে কাপে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয় জ্যাক সিমন্স মেডেল। নারীদের ঘরোয়া একদিনের প্রতিযোগিতা উইমেন্স ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগে সেরা খেলোয়াড় পান ভেরোনিকা পাইক মেডেল।
আর সবকটি ফরম্যাট মিলিয়ে পুরো মৌসুমে তাসমানিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ধারাবাহিক ক্রিকেটারকে দেওয়া হয় সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রিকি পন্টিং মেডেল। এই পুরস্কার নির্ধারণে খেলোয়াড়ের সামগ্রিক অবদান, ম্যাচ জেতানোর সক্ষমতা ও পুরো মৌসুমে প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হয়।